বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যাদের হাতে রাষ্ট্র নিরাপদ—অঞ্জনা খান মজলিশদের পাশে দাঁড়ানোর সময় এখনই

দীপু মনির অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে চাকরি ও জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন যে ডিসি

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৫ পিএম
দীপু মনির অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে চাকরি ও জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন যে ডিসি

রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি হলো একটি সৎ, নিরপেক্ষ ও সাহসী প্রশাসন। সেই প্রশাসনের এমন কিছু কর্মকর্তা আছেন, যারা রাজনৈতিক চাপ, ক্ষমতার প্রভাব কিংবা ব্যক্তিগত ঝুঁকির কাছে মাথা নত না করে ন্যায় ও আইনের পক্ষে অটল থাকেন। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (অর্থ) হিসেবে কর্মরত যুগ্মসচিব অঞ্জনা খান মজলিশকে অনেকেই এমন একজন কর্মকর্তা হিসেবে মূল্যায়ন করেন।

প্রশাসনিক অঙ্গনে তিনি একজন সৎ, দক্ষ ও কর্মঠ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। ছাত্রজীবনে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকলেও পারিবারিক দূরসম্পর্কীয় কয়েকজন আত্মীয়ের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দীর্ঘ কর্মজীবনে তাকে নানা সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে জানা যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অঞ্জনা খান মজলিশের বাবা ছিলেন একজন সরকারি কর্মকর্তা এবং তার কোনো আপন চাচা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তবে বাবার তিন চাচাতো ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচয় ছিল ভিন্ন ভিন্ন। তাদের মধ্যে দাউদ খান মজলিশ ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের তথ্য উপদেষ্টা, ইয়াহিয়া খান মজলিশ ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এবং সামসুদ্দোহা খান মজলিশ ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য।

ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিজে অরাজনৈতিক হওয়া সত্ত্বেও এই দূরসম্পর্কীয় রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিভিন্ন সময়ে বৈষম্য ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে তাকে। অতীত ও বর্তমান—দুই ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায়ও তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

Model Hospital

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার দৃঢ়তা বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। সে সময় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির অন্যায্য দাবি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তিনি প্রশাসনিকভাবে আপত্তি জানান এবং আইনগত পদক্ষেপও গ্রহণ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। এই অবস্থানের কারণে তাকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপের পাশাপাশি ব্যাপক অপপ্রচার ও নানা ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা প্রভাবশালী মহলের চাপ, পদ হারানোর আশঙ্কা কিংবা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার শঙ্কা—কোনোটিই তাকে নীতি ও দায়িত্ববোধ থেকে সরাতে পারেনি। বরং তিনি বিশ্বাস করেছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তার সততা, নিরপেক্ষতা এবং আইনের প্রতি দায়বদ্ধতা।

আজও প্রশাসনে এমন কর্মকর্তা দেশের জন্য আশার প্রতীক। কারণ একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন সৎ কর্মকর্তারা ভয় নয়, ন্যায়কে বেছে নেওয়ার সাহস পান।

দেশবাসীর প্রত্যাশা, রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়—যোগ্যতা, সততা ও পেশাদারিত্বই হবে একজন কর্মকর্তার মূল্যায়নের একমাত্র মানদণ্ড। যারা ন্যায় ও আইনের পক্ষে অবিচল থাকেন, রাষ্ট্র যেন তাদের পাশে দাঁড়ায়। কারণ সৎ কর্মকর্তাদের রক্ষা করা মানেই রাষ্ট্রের সততা, জবাবদিহি ও সুশাসনকে রক্ষা করা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital