শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সিলেটে মাইক্রোবাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, মতলব দক্ষিণের ২ জন নি’হ’ত

মির্জা মানিক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৮ পিএম
সিলেটে মাইক্রোবাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, মতলব দক্ষিণের ২ জন নি’হ’ত

সিলেটে মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাতটার দিকে সিলেটের ওসমানীনগর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন মতলব দক্ষিণ উপজেলার উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের করবন্দ বকাউল বাড়ির বাসিন্দা মরহুম হাসিম বকাউলের ছোট ছেলে মো. সোহেল বকাউল (৩৭) এবং একই ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মো. মোস্তফা জামানের ছোট ভাই মো. খাইরুজ্জামান।

সোহেল বকাউল উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন।

এ দুর্ঘটনায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মান্দারীর সফিক মোল্লা, মহামায়ার শাহাদাত হোসেন মিঠু ও সুজন খান, বাকরার আলম প্রধানীয়া এবং সাবেক ইউপি সদস্য তাহের ভাট রয়েছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

Model Hospital

দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁদের মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

ফরিদগঞ্জে গাছ কাটার অভিযোগ ভিত্তিহীন, অপপ্রচারের শিকার ভূমি কর্মকর্তা সাহাদাত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে গাছ কাটার অভিযোগ ভিত্তিহীন, অপপ্রচারের শিকার ভূমি কর্মকর্তা সাহাদাত
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গাছ কাটার অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. সাহাদাত হোসেন। তাঁর অভিযোগ, জমির সীমানা নির্ধারণের পর প্রতিপক্ষ নুরু মিয়া তাঁর বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এতে তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনাটি উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের হামছাপুর গ্রামের।
সাহাদাত হোসেন জানান, প্রায় দেড় বছর আগে একই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে তিনি সাড়ে তিন শতাংশ জমি কেনেন। সম্প্রতি জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য সার্ভেয়ারের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান খান কালু, নুরু মিয়ার ছেলে সাহাদাত হোসেন, তাঁর ভগ্নিপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান মাস্টারসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি।
ভূমি কর্মকর্তা সাহাদাত হোসেনের ভাষ্য, জমি পরিমাপের সময় তাঁর কেনা জমির একটি অংশ নুরু মিয়ার দখলে রয়েছে বলে চিহ্নিত হয়। পরে উপস্থিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে জমিটি বুঝে নেন তিনি। তাঁর দাবি, জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের পর থেকেই নুরু মিয়া তাঁর বিরুদ্ধে গাছ কাটার অভিযোগ তুলছেন।
সাহাদাত হোসেন আরও বলেন, তাঁর জমিতে কয়েকটি কদমগাছ ছিল। নুরু মিয়া সেগুলো প্রকাশ্যে কেটে ফেলেছেন বলে তিনি দাবি করেন। পরে গাছের অবশিষ্ট গোড়ার ছবি তুলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, আমি এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছি। অথচ জমির সীমানা নির্ধারণের পর গাছ কাটার অভিযোগে আমাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কথা প্রচার করা হচ্ছে। এতে আমি বিব্রত ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছি। আমি চাই, নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হোক।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান খান কালু জানান, সার্ভেয়ার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জমিটি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে গাছ নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে নুরু মিয়ার দাবি, তাঁকে না জানিয়ে জমি পরিমাপ করা হয়েছে এবং তাঁর জমির পাশের গাছ তুলে কেটে ফেলা হয়েছে।
এদিকে, জমি পরিমাপের সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান খান কালু, আপনার ছেলে সাহাদাত হোসেন ও ভগ্নিপতি সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান মাষ্টারসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন এবং আপনার দখলে থাকা ভূমি কর্মকর্তার জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এমন প্রশ্ন করা হলে নুরু মিয়া এড়িয়ে যায়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বুলবুল আহমেদ বলেন, নুরু মিয়া তাঁকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হলেও তিনি তা দেননি।
সাহাদাত হোসেন বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে তাঁকে দোষারোপ করা সমীচীন নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।