রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ ইয়াবা কান্ডে ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ পিএম
চাঁদপুরের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ ইয়াবা কান্ডে ভাইরাল
চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কন্সটেবল ফয়েজ আহমেদ ইয়াবা কান্ডে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বেশ কিছু আপত্তিকর ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে। তার কর্মস্থল চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় কন্সটেবলের দায়িত্ব পালনকালে তিনি ইয়াবালুটে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
১ নভেম্বর রোববার ফয়েজ আহমেদের এরুপ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার বড় ভাই রাজরাজেশ্বরের জনপ্রতিনিধি রনি। ফয়েজ আহমেদের পিতা হচ্ছেন রাজরাজেশ্বরের মোঃ ইয়াকুব গাজী ও মাতা নাছিমা বেগম।
ঘটনা প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ৩০ হাজার পিস ইয়াবা লুটে জড়িত। গত ২৪ অক্টোবর শনিবার রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে করে ৩০ হাজার ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথে লোহাগাড়ার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে মোটরসাইকেল দিয়ে ট্রাকটির গতিরোধ করেন পুলিশ কন্সটেবল ফয়েজ আহমেদসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এরমধ্যে সাতকানাইয়া থানার এস আই মাহবুবুল ইসলাম,কন্সটেবল মোঃ গাজী মহসীনের নামও উঠে এসেছে।
মিনি ট্রাকচালক নাছিরের অভিযোগ, তাকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করা হয়। পরে ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের দুই কথিত সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় ট্রাকের চালকের আসন থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা লুট করা হয়। সে ঘটনার প্রমাণ মুছে ফেলতে ট্রাকের সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশী চালিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে তা থানায় জমা না দিয়ে লুট করেন ফয়েজসহ ৩ পুলিশ সদস্য। ইয়াবা লুটের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ সদস্য ফয়েজসহ মোট ৩ জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, অভিযোগ উঠা ফয়েজসহ ৩ পুলিশ সদস্যের কিছু অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়া এবং তাদের আগে ও পরের কর্মকান্ডের কিছু খারাপ অভিযোগ থাকায় তাদেরকে ক্লোজড করা হয়েছে। প্রশাসনিক কারণে ওই তিন পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

কচুয়ায় নিকাহ রেজিস্ট্রার জসিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, মিথ্যা দাবি কাজীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ পিএম
কচুয়ায় নিকাহ রেজিস্ট্রার জসিমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, মিথ্যা দাবি কাজীর

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের নিকাহ্ রেজিস্ট্রার (কাজী) মো. মেজবাহ উদ্দিন জসিমের বিরুদ্ধে শিক্ষাগত সনদ জাল ও বাল্যবিবাহ সম্পাদনের অভিযোগ তুলেছেন আব্দুল গফুর নামের এক ব্যক্তি। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন কাজী জসিম।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় কাজী মেজবাহ উদ্দিন জসিম জানান, ২০১১ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে তিনি সততা ও সুনামের সঙ্গে ১০ নং গোহট উত্তর ইউনিয়নে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে তাঁর দায়িত্ব কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্নভাবে তাঁকে হুমকি দিয়ে আসছে।

তিনি আরও জানান, এর আগেও তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নিয়োগ নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তা বাতিল করে দেয়। এখন নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কাজী জসিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হোক। প্রশাসনকে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি মিথ্যা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

Model Hospital

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল গফুরের মুঠোফোন যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।