ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা তহবিল প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে করা রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই খাম-খেয়ালী ভাবেই কাজ করে যাচ্ছে ঠিকাদার। ঠিাকাদার চেয়ারম্যানের ভাই বলে নিজ ইচ্ছা মতো কাজ করছেন বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।

Model Hospital

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ‘উত্তর চৌরাঙ্গা জামাল পাটওয়ারী বাড়ির অভিমুখে রাস্তা সিসি ঢালাইকরণ কাজে নিম্নমানের শুরকী, বালি ও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ব্যবহার করছে সিমেন্ট। ৩ ইঞ্চি ঢালাই দেয়ার কথা থাকলেও ১ ইঞ্চি ঢালাই দিয়ে কাজ সেরে নিচ্ছে ঠিকাদার। এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠিকাদার ইমাম হোসেন বর্তমান চেয়ারম্যানের আপন ভাই হওয়াতে ইচ্ছা মত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

এ দিকে একই প্রকল্পে দুই বাড়ির দু’টি রাস্তা হচ্ছে। একটি রাস্তা একদিন আগে (৩ জুন) কাজ করেছেন। একদিন পরই বৃষ্টির পানিতে উপরের আস্তর খসে গিয়ে ইটের কনা দৃশ্যমান হয়ে গেছে। নিম্ম মানের ঢালাই এর কারনে এই অবস্থা বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবের অভ্যন্তরিন কাজের তদারকির কথা থাকলেও তিনি ঢালাই চলাকালিন সময় একটি বারের জন্যও প্রকল্প এরিয়া পরিদর্শন করেননি। মূলত তার গাফিলতির কারনেই এ সমস্যা হয়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
কাজের তদারকি করা এক ব্যক্তির সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কথা না বলে এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে প্রকল্পের ঠিকাদার চেয়ারম্যানের ভাই মো. ইমাম হোসেনকে না পেয়ে তার মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন দিয়েও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

এ বিষয়ে সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আমির হোসেন বলেন, ‘এই প্রকল্পের ঠিকাদার চেয়ারম্যানের ভাই। উনারাতো সঠিক ভাবেই কাজ করার কথা। সমস্যা নেই, পরীক্ষা-নিরিক্ষার পরই বিল পাস হবে।’

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মো. মহসিন হোসেন বলেন, ‘আমি এখনো রাস্তার কাজ দেখিনি। দেখা ছাড়া কোনো বক্তব্য দিতে পারবোনা।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাছলিমুন নেছার কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এবং একাধিকবার তাঁর মুঠো ফোনে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিচিব করেননি। তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানের আগেই ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কমিশন’ দাবি নতুনধারার

ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা তহবিল প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম

আপডেট সময় : ০৫:১৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জুলাই ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের অর্থায়নে করা রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই খাম-খেয়ালী ভাবেই কাজ করে যাচ্ছে ঠিকাদার। ঠিাকাদার চেয়ারম্যানের ভাই বলে নিজ ইচ্ছা মতো কাজ করছেন বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।

Model Hospital

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ‘উত্তর চৌরাঙ্গা জামাল পাটওয়ারী বাড়ির অভিমুখে রাস্তা সিসি ঢালাইকরণ কাজে নিম্নমানের শুরকী, বালি ও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ব্যবহার করছে সিমেন্ট। ৩ ইঞ্চি ঢালাই দেয়ার কথা থাকলেও ১ ইঞ্চি ঢালাই দিয়ে কাজ সেরে নিচ্ছে ঠিকাদার। এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠিকাদার ইমাম হোসেন বর্তমান চেয়ারম্যানের আপন ভাই হওয়াতে ইচ্ছা মত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

এ দিকে একই প্রকল্পে দুই বাড়ির দু’টি রাস্তা হচ্ছে। একটি রাস্তা একদিন আগে (৩ জুন) কাজ করেছেন। একদিন পরই বৃষ্টির পানিতে উপরের আস্তর খসে গিয়ে ইটের কনা দৃশ্যমান হয়ে গেছে। নিম্ম মানের ঢালাই এর কারনে এই অবস্থা বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবের অভ্যন্তরিন কাজের তদারকির কথা থাকলেও তিনি ঢালাই চলাকালিন সময় একটি বারের জন্যও প্রকল্প এরিয়া পরিদর্শন করেননি। মূলত তার গাফিলতির কারনেই এ সমস্যা হয়েছে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
কাজের তদারকি করা এক ব্যক্তির সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি কথা না বলে এড়িয়ে যান।

এ বিষয়ে প্রকল্পের ঠিকাদার চেয়ারম্যানের ভাই মো. ইমাম হোসেনকে না পেয়ে তার মুঠো ফোনে একাধিক বার ফোন দিয়েও তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

এ বিষয়ে সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আমির হোসেন বলেন, ‘এই প্রকল্পের ঠিকাদার চেয়ারম্যানের ভাই। উনারাতো সঠিক ভাবেই কাজ করার কথা। সমস্যা নেই, পরীক্ষা-নিরিক্ষার পরই বিল পাস হবে।’

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান মো. মহসিন হোসেন বলেন, ‘আমি এখনো রাস্তার কাজ দেখিনি। দেখা ছাড়া কোনো বক্তব্য দিতে পারবোনা।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাছলিমুন নেছার কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি এবং একাধিকবার তাঁর মুঠো ফোনে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিচিব করেননি। তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।