শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই; ক্ষতিসাধন ৬ লক্ষ টাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১২:৩৬ পিএম
কচুয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই; ক্ষতিসাধন ৬ লক্ষ টাকা

মোঃ রাছেল : কচুয়ায় অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর পুড়েছাই হয়ে গেছে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের নাংলা সরকার বাড়ির মৃত. মহাদেব চন্দ্র সরকারের ছেলে অমৃৃত চন্দ্র সরকারের ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।এতে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা পাখি রানী জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি অমৃতের বসতঘরে আগুন জ্বলছে। পরে আমার ডাক চিৎকারে বাড়ির লোকজন বের হয়ে আসার আগেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়ারা এসে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ততক্ষনে ঘরে থাকা নগদ টাকা, ধান, চাল, হাড়ি-পাতিল, জামা-কাপড়, প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রাদি ও যাবতীয় আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্র পাত ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কাঠমিস্ত্রি অমৃত চন্দ্র সরকার বলেন, শুক্রবার বিকেলে আমার পরিবারকে নিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাই। রাত সাড়ে ১২ টার দিকে খবর পেলাম আমাদের ঘরে আগুন লেগেছে। ওইখান থেকে রাতেই ফিরে এসে দেখি আমাদের কিছুই নেই। সব শেষ হয়ে গেছে। এখন আমি কি করবো, কোথায় যাব কিছুই বুঝতে পারছিনা।তাঁর প্রায় ৬ লক্ষ টাকা ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

Model Hospital

অমৃত চন্দ্র সরকারের স্ত্রী খুকি রাণী সরকার বলেন, দুই মেয়েকে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাব? তাদের জামা কাপড়, বইপত্র সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন কিভাবে পড়াশোনা করবে! আমার মেয়েদের কি উপায় হবে? এসব বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের শান্তনা দেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ও ইউপি সদস্য হান্নান মিয়া। তাদের ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সহায়তা করার আশ্বাসও দেন।

শনিবার দুপুরে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) মো. ইব্রাহিম খলিল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত কাঠমিস্ত্রি অমৃত চন্দ্র সরকার তার পরিবারও সন্তানদের শান্তনা দেয়।

কচুয়া ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা মাহতব মন্ডল জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বসতঘরটি ভস্মীভূত হয়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital