বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মাটি খেকো চক্রের হানা; হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল হুমকির মুখে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২, ৪:০৬ পিএম
মাটি খেকো চক্রের হানা; হাইমচরে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল হুমকির মুখে
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের মধ্যচরে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনাকৃত অর্থনৈতিক অঞ্চলে আবারও সেই মাটি খেকো চক্রের হানা। এবার সকল দিক ম্যানেজ করেই বড় পরিশরে মাটি কেটে নিয়ে মুন্সিগঞ্জ ইটভাটায় বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে নীলমল ইউনিয়নের মানচিত্র থেকে একেবারেই মুছে যাচ্ছে ৭নং ওয়ার্ডের শিকদার কান্দি নামক একটি গ্রাম। হুমকির মুখে পড়ছে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল।
জানাজায়, ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় নীলকমল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড শিকদার কান্দিতে ৪ থেকে ৫টি বেকু দিয়ে মাটি কাটা শুরু করে এ মাটি খেকো চক্রটি। তাঁরা মাটি কেটে জাহাজে করে নিয়ে মুন্সিগঞ্জ ইটভাটায় বিক্রি করছেন। চক্রটি হচ্ছে মোটা অংকের টাকার লাভবান। ধ্বংস হচ্ছে নীলকমল ইউনিয়ন। ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে সরকারি জায়গা, বিলীন হচ্ছে একটি গ্রাম।
খবর নিয়ে জানাজায়, এ মাটি খেকো চক্রের মূল হোতা কল্যান পুর ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য রনি। যার নেতৃত্বে এ চক্রটি উপজেলার নেতা কর্মি থেকে শুরু করে সকল স্তরের লোকজনকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে মাটি বিক্রি করছেন। অভিযোগ রয়েছে মাটি খেকো চক্রের সাথে নীলকমল ইউনিয়ন ও উপজেলার আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতারাও জড়িত রয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, আপনাদের লেখনির মাধ্যমে এই চর রক্ষা পেয়েছিল। তখন রতন হাজী বাঁধা দেওয়ায় তারা মাটি কাটতে পারেনি। এখন তারা রতন হাজীকেও ম্যানেজ করে নিয়েছে। শুনেছি উপজেলার বড় এক নেতার মাধ্যমে আপনাদেরকেও ম্যানেজ করেছে। আমরা হাত জোর করে অনুরোধ করছি ক্ষনিকের কিছু টাকার জন্য আপনাদের ভিবেক বিক্রি করবেন না। আপনাদের মাধ্যমেই প্রশাসন এ চক্রটিকে আটক করে এর সাথে জড়িত সকল নেতাদের মুখোশ উম্মোচন করবে। আমাদের মাটি রক্ষায় আপনাদেরসহ প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করছি।
ইউপি সদস্য রতন মাল জানান, আমি কিছুক্ষন আগে জানতে পেরেছি সেই মাটি খেকোরা আবারও আমার ওয়ার্ড থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। আমি এ মাটি রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রতন হাজী জানান, মাটি কাটার সংবাদ জানতে পেরে তা এখন বন্ধ করে দিয়েছি। চরের মাটি কেটে নিতে দেয়া হবে না।
নীলকমল ইউপি চেয়ারম্যান সউদ আল নাসের জানান,আমার ইউনিয়নে মাটি কাটার সংবাদ পেয়ে সাথে সাথে ইউএনওকে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি আমাকে  মেম্বার ও চকিদারদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করার জন্য বলেছেন। আমি প্রশাসনের সহযোগীতা নিয়ে এ মাটি খেকো চক্রদেরকে প্রতিহত করবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী বলেন, মাটি কাটার সংবাদ পেয়েছি। মাটি কাটা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital