ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে পকেটমারদের কবলে পড়ে যাত্রীরা হারাচ্ছেন মোবাইল মানি ব্যাগ

মাসুদ হোসেন : চাঁদপুর-লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথের চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে বৃদ্ধি পেয়েছে ছিনতাইকারী ও পকেটমারদের দৌরাত্ম্য।
চাঁদপুর জেলা শহরের কেন্দ্র এ স্টেশনে সাগরিকা ট্রেনসহ আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ থাকায় এখানে যাত্রীর আনাগোনা থাকে বেশি। যাত্রীদের উঠা নামার ব্যস্ততার সুযোগে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশনে বেড়ে গেছে অপরাধ প্রবণতা। এ অবস্থায় ট্রেন যাত্রীরা পড়ছেন বিপাকে। পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠছে এ স্টেশনটি। তাদের কবলে পড়ে এ স্টেশনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে চাঁদপুর বড় স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে আসে সাগরিকা ট্রেন। এ ট্রেনের ‘গ’ বগির ২৬নং আসনের এক যাত্রী মোঃ আরিফ হোসেন (২০) চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ট্রেনে উঠলে ট্রেন ছাড়ার সাথে সাথে দেখেন তার ব্যবহৃত এমআই ব্র্যান্ডের স্মার্ট ফোনটি পকেটে নেই। পরবর্তীতে তিনি মধুরোড স্টেশনের রেলওেয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করে চলে যান চট্টগ্রামে।
তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাইকাস্তা গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। পেশায় একজন আনসার সদস্য। তার মা জানান, আমার ছেলে চট্টগ্রামে একটি চাকরি করে এবং এবছর চলমান ফাজিল পরীক্ষা দিতে বাড়িতে এসে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশনে তার ০১৬১৬৩২৪৯২৮ নম্বরের মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায় কে বা কাহারা।
এর আগেও এ স্টেশনে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন কিংবা মানি ব্যাগ ছিনতাই হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০ টার দিকে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশন মাষ্টার মোঃ কাউছার হোসেন এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ট্রেন আসলে ভিড়ের মধ্যে ছিনতাইয়ের ঘটনার বিষয়ে চাঁদপুর জিআরপি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মুরাদ উল্যা’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনাগুলো মূলত ট্রেন আসলে কিংবা ছাড়ার মূহুর্তে ঘটে থাকে। তবে যারাই ভুক্তভোগী তারা যদি ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য কিংবা রেলওয়ে থানায় অভিযোগ করেন তাহলে আইএমই নাম্বার দিয়ে ও প্লাটফর্মের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীদের খুঁজে বের করতে পারি আমরা। ট্রেন আসলে প্লাটফর্মে জিআরপি পুলিশ নিয়জিত থাকে সবসময়।
এছাড়াও আমরা এসব চুরি ছিনতাই প্রতিরোধে ট্রেন এবং স্টেশনগুলোতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সমাবেশ করে থাকি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের বলার মতো একটা গল্প ফাউন্ডেশন’র চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোক্তা মিটআপ

চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে পকেটমারদের কবলে পড়ে যাত্রীরা হারাচ্ছেন মোবাইল মানি ব্যাগ

আপডেট সময় : ০৬:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২
মাসুদ হোসেন : চাঁদপুর-লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথের চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে বৃদ্ধি পেয়েছে ছিনতাইকারী ও পকেটমারদের দৌরাত্ম্য।
চাঁদপুর জেলা শহরের কেন্দ্র এ স্টেশনে সাগরিকা ট্রেনসহ আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ থাকায় এখানে যাত্রীর আনাগোনা থাকে বেশি। যাত্রীদের উঠা নামার ব্যস্ততার সুযোগে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশনে বেড়ে গেছে অপরাধ প্রবণতা। এ অবস্থায় ট্রেন যাত্রীরা পড়ছেন বিপাকে। পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠছে এ স্টেশনটি। তাদের কবলে পড়ে এ স্টেশনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে চাঁদপুর বড় স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে আসে সাগরিকা ট্রেন। এ ট্রেনের ‘গ’ বগির ২৬নং আসনের এক যাত্রী মোঃ আরিফ হোসেন (২০) চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ট্রেনে উঠলে ট্রেন ছাড়ার সাথে সাথে দেখেন তার ব্যবহৃত এমআই ব্র্যান্ডের স্মার্ট ফোনটি পকেটে নেই। পরবর্তীতে তিনি মধুরোড স্টেশনের রেলওেয়ের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করে চলে যান চট্টগ্রামে।
তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ পাইকাস্তা গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। পেশায় একজন আনসার সদস্য। তার মা জানান, আমার ছেলে চট্টগ্রামে একটি চাকরি করে এবং এবছর চলমান ফাজিল পরীক্ষা দিতে বাড়িতে এসে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশনে তার ০১৬১৬৩২৪৯২৮ নম্বরের মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায় কে বা কাহারা।
এর আগেও এ স্টেশনে যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন কিংবা মানি ব্যাগ ছিনতাই হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০ টার দিকে চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশন মাষ্টার মোঃ কাউছার হোসেন এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ট্রেন আসলে ভিড়ের মধ্যে ছিনতাইয়ের ঘটনার বিষয়ে চাঁদপুর জিআরপি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মুরাদ উল্যা’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনাগুলো মূলত ট্রেন আসলে কিংবা ছাড়ার মূহুর্তে ঘটে থাকে। তবে যারাই ভুক্তভোগী তারা যদি ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য কিংবা রেলওয়ে থানায় অভিযোগ করেন তাহলে আইএমই নাম্বার দিয়ে ও প্লাটফর্মের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীদের খুঁজে বের করতে পারি আমরা। ট্রেন আসলে প্লাটফর্মে জিআরপি পুলিশ নিয়জিত থাকে সবসময়।
এছাড়াও আমরা এসব চুরি ছিনতাই প্রতিরোধে ট্রেন এবং স্টেশনগুলোতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক সমাবেশ করে থাকি।