বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

যুদ্ধবিধ্বস্ত ও ধ্বংসস্তুপের বাংলাদেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় : ড. শামসুল আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১, ১:৩৩ পিএম
যুদ্ধবিধ্বস্ত ও ধ্বংসস্তুপের বাংলাদেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় : ড. শামসুল আলম

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

মতলব উত্তর ব্যুরো : যুদ্ধবিধ্বস্ত ও ধ্বংসস্তুপের বাংলাদেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার সময় দখলদার বাহিনীরা বাংলাদেশের অবকাঠমোসহ সব জায়গা ধ্বংস করে দেয়। তাই যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুনরুদ্ধার করতে অল্প সময়ে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বিধ্বস্ত বাংলাদেশে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে এসে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য দেশ পুনর্গঠনে ২১ দিনের মধ্যে পরিকল্পনা কমিশন তৈরি করেন বঙ্গবন্ধু। অত্যন্ত শক্তিশালী পরিকল্পনা কমিশন করেছিলেন অর্থনীতিবিদদের নিয়ে। যা ভারত তিন বছর পর, পাকিস্তান ছয় বছর পর করেছিল।

বৃহস্পতিবার ২ ডিসেম্বর) এক ভিডিও বার্তায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এ কথা বলেন।
তিনি দেশের উন্নয়নে কতোটা গুরুত্ব দিয়েছিলেন এ ব্যবস্থা গ্রহণ দেখলেই বুঝা যায়। সংবিধান তৈরি, নির্বাচন প্রদান, বিএডিসি, রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটসহ অনেক প্রতিষ্ঠান সাড়ে তিন বছরে গড়ে তুলেছিলেন তিনি। কৃষিক্ষেত্রে যে বিপ্লব তার ভিত্তি বঙ্গবন্ধুই গড়েছিলেন।

কাজেই পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় আমূল পরিবর্তন আসে বাংলাদেশে। বঙ্গবন্ধুর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার পথ ধরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৯০ ডলার থেকে ২৫৫৪ ডলারে এসে গেছে। দারিদ্র্য ৮৪ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশ দরিদ্র থেকে উন্নয়নশীল হয়েছে। তার মধ্যে গত ১৩ বছরে যে অর্জন তা বিস্ময়কর। অনেক দূরে নিয়ে গেছি আমরা দেশকে। অগ্রগতিরকাল বলা যায় একে। কারণ ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কাজেই ৭২ সালের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। এক কথায় সব সূচকে অগ্রগতি হয়েছে দেশের। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম হয়ে গেছে।

Model Hospital

ড. শামসুল আলম বলেন, ২০০৫ সালে দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা ২০ নেমে এসেছে। হতদরিদ্রও অর্ধেকে কমে ১০ শতাংশে এসেছে। রিচার্ভ বেড়েছে অকল্পনীয়, ৫০ বিলিয়ন ডলার ছুঁইছুঁই করছে। সব মিলিয়ে বলা যায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বিস্ময়।
ড. শামসুল আলম বলেন, আমরা থেমে নেই। উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে।

রূপকল্প-২০২১ প্রণয়ন করে ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ ও ৪১ সালে উন্নত দেশে উন্নত হবো। ১০০ বছরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ব-দ্বীপ পরিকল্পনায়। কাজেই বলা যায় ২০২৫ সালে দুই অংকের অর্থাৎ ১০ শতাংশের প্রবৃদ্ধিতে পৌঁছাতে পারব।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital