মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে সামাজিক ও মানবিক সংগঠন আপন’র পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩, ২:৪৩ পিএম
চাঁদপুরে সামাজিক ও মানবিক সংগঠন আপন’র পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন
‘আমরা পর নই’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে পথচলা চাঁদপুরের জনপ্রিয় সামাজিক ও মানবিক সংগঠন আপন -এর পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক রোটারিয়ান রাশেদা আক্তারকে সভাপতি এবং সদস্য সচিব কবি আশিক বিন রহিমকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।
গত শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকল্পে উপদেষ্টা পরিষদ ও সাধরণ পরিষদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা এবং চাঁদপুর বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন। পরে দ্বিতীয় দফায় উপস্থিত সকল উপদেষ্টা এবং সাধারণ সদস্যদের পূর্ণ সমর্থনে গঠিক নতুন পরিষদ ঘোষণা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা এবং বিশিষ্ট আইনজীবী আব্দুল্লাহ্ আল ফারুক। নব-গঠিক কার্যনির্বাহী পরিষদকে স্বাগত জানান সংগঠনের উপদেষ্টা রোটারিয়ান মো. মাসুদ হাসান।
নব-গঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যা নেতৃবৃন্দরা হলেন, সহ-সভাপতি অ্যাড. বদরুল আলম চৌধুরী, রোটারিয়ান আশ্রাফুল আরিফ, রোটারিয়ান মোফাজ্জল হোসেন রিয়াদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিত্তূল মুনা চৈতী, আহসান আরিফ নিলয়, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন মুন্সি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সিগমা আহসান কনক, দপ্তর সম্পাদক ও মো. মুরাদ হাসান, দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, কোষাদক্ষ আল-আমিন ইসলাম, সহ-কোষাদক্ষ লাকি রাণী দাস, প্রচার সম্পাদক এএম সাদ্দাম হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক এম আবু জাফর, শিক্ষা ও আইসিটি বিষয়ক সস্পাদক মেহেদী হাসান নবীন, ত্রাণ ও সমাজকল্যান সম্পাদক মো. বোরহান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. সোহেব সৌরভ, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. রাকিব, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ পাটওয়ারী।
নির্বাহী সদস্যরা হলেন, রৌশন আরা, মাহমুদা খানম, তাহমিনা শহিদুল্লাহ জলি, ডা. মো. ইফতেখাইরুল আলম, কেএম মাসুদ, এম আব্দুল আজিজ শিশির, মো. মাসুদুর রহমান, মাইনুল ইসলাম মানিক, রোটা. ফারুক হোসেন ভুইয়া, রোটারিয়ান আহছান হাবিব, হোসাইন লিটন, শাহানারা আক্তার পলি, শাহিদা আক্তার মিলি, আইরিন সুলতানা তুলি।
উল্লেখ্য : করোনার মহামারির সময়কালে ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সামাজকি ও মানবিক সংগঠন আপন। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অসহায় নিম্মবিত্ত পরিবারকে রমজানে ইফতার সামগ্রী এবং ঈদে খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়ে আসছে। আপন এমনসব পরিবারকে খুঁজে খুঁজে বের করে খাদ্যসামগ্রীর উপহার দিয়ে থাকে, যারা লোকলজ্জায় কারেনা কাছে হাত পাততে পারে না। এপর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে-গোপনে কয়েক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আপন। এছাড়াও করোনায় অক্সিজেন সেবা, ফ্রি মেডিকেল সেবা, পরবর্তিতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাপম্পসহ নানাবিধ সমাজিক ও মানবিক কাজ করে আসছে। সংগঠনের সদস্যদের যাকাতের টাকায় কয়েকজন শিক্ষিত বেকার যুবককে স্বাবলম্বি করে দেয়া হয়েছে। এবছর রমযানের শেষে দিকে ৩জন বেকার যুবককে স্বালম্বী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

‘নিজ স্ত্রীর সাথে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার রুকন পদ স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ পিএম
‘নিজ স্ত্রীর সাথে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার রুকন পদ স্থগিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মো. শহীদুল্লাহ্ (৪৬) নামের এক নেতার রুকনিয়াত সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দলটির ময়মনসিংহ মহানগর শাখা।

মো. শহীদুল্লাহ্ নগরের নতুন বাজার থানা জামায়াতের রুকন পদে ছিলেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি স্থানীয় নওমহল এলাকার আল আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত।

দলীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকাল থেকেই মো. শহীদুল্লাহ্‌র একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনার জন্ম দেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মহানগর জামায়াত জরুরি সভায় বসে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট নেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন এটি তার ব্যক্তিগত ভিডিও। তবে বিষয়টিকে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাৎক্ষণিকভাবে তার রুকনিয়াত স্থগিত করা হয়েছে।

Model Hospital

এদিকে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শহীদুল্লাহ্‌র দাবি, ছড়িয়ে পড়া দৃশ্যটি তার স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা সম্পূর্ণ পারিবারিক ও একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের। শত্রুতাবশত অজ্ঞাতপরিচয় কেউ তার মুঠোফোন থেকে ভিডিওটি হাতিয়ে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আগে থেকেই তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল এবং মোটা অঙ্কের অর্থও দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।