বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

বিরলরোগে আক্রান্ত আনোয়ার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চায়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩, ৩:১৫ পিএম
বিরলরোগে আক্রান্ত আনোয়ার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চায়

বিরল রোগে আক্রান্ত চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম  ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত মজিবুল হক ও রোকেয়া বেগম দম্পতির বড় পুত্র আনোয়ার হোসেন মিন্টু। আপনার সহায়তা পেলে সে ফিরে পেতে পারে স্বাভাবিক জীবন। আপনার সহযোগিতা নিয়ে সে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে চায়।

আনোয়ার হোসেন মিন্টু সমাজের আর আট-দশ জন মানুষের মত স্বাভাবিক শিশু হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।  কিন্তু বিধির বাম জন্মের ৫ বছরের মাথায় একদিন সে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়।

চিকিৎসকের পরামর্শে  ডায়রিয়া রোগ থেকে মুক্তি পেতে তাকে ঔষধ সেবন করে। ঐ ঔষধ সেবনের পর থেকে কি এক অজানা রোগ বাসা বাঁধে তার শরীরে । সেই থেকে আজ অবধি অজানা রোগটি বয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাকে। এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার হোসেন জানান, তার বয়স এখন ৪০, ঘর-সংসার করা হয়নি তার। নিজের অসুস্থতার কারনে কেউ তাকে বিয়ে করতে রাজী হয় না। দুই ভাই ৪ বোনের মধ্যে আনোয়ার হোসেন সবার বড়।

বাবা-মায়ের বড় সন্তান হিসেবে অসুস্থ থাকায় সে কারও জন্য কিছু করতে পারেননি। তার এক ভাই ও তিন বোনের বিয়ে হয়েছে ছোট বোনের বিয়ের বাকি রয়েছে। আনোয়ার নিজের জন্য চিন্তা করেন না। তিনি বলেন তার দিন কোন না কোন ভাবে কেটে যাবে। ছোট বোন এখনো বিয়ের বাকি রয়েছে। ছোট বোনের জন্য কষ্ট হয় তার। বাবা গত হয়েছেন কয়েক বছর আগে। মা বেঁচে আছেন কিন্তু তিনি বয়সের ভারে নূব্জ্য।

Model Hospital

তার বিষয়ে জানতে চাইলে সে এদিক-সেদিক কি যেন খোঁজতে থাকে। এক সময় অস্পষ্টভাবে জবাব দেয় ‘টেয়া নাই, টেয়া ছাড়া কি চিকিৎসা হয়’? আনোয়ার হোসেন মিন্টু সুস্থ হতে চিকিৎসার জন্য তাই টাকার প্রয়োজন। আপনার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলে আনোয়ার হোসেন চিকিৎসা করাতে পারবে। তাই সমাজের বিত্তশালী হৃদয়বান দানবীর ব্যক্তিদেরকে আনোয়ার হোসেন এর চিকিৎসার জন্য সহায়তায় হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার আহবান জানাচ্ছি।

আনোয়ার হোসেন শারীরিক প্রতিবন্ধী হিসেবে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতায় সমাজ সেবা কার্যালয় শাহরাস্তি হতে প্রতিবন্ধী ভাতা পান। কিন্তু ভাতার টাকায় তার চিকিৎসা করা সম্ভব নয়।

তার আশু চিকিৎসায় হৃদয়বান বিত্তশালীমও দানবীদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহবান জানাচ্ছি। এমন কেউ কি আছেন অর্থ সহায়তা করতে চাইলে তার মা রোকেয়া বেগমের বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে পারেন।

বিকাশ নম্বরঃ 01741-442415.

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital