সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

পুলিশের দৃষ্টান্ত

চাঁদপুরে ইজিবাইক হারিয়ে ১ লাখ টাকা পেলো প্রতিবন্ধী মনির

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ১০ মে, ২০২৩, ৭:৩৪ পিএম
চাঁদপুরে ইজিবাইক হারিয়ে ১ লাখ টাকা পেলো প্রতিবন্ধী মনির

চাঁদপুর পৌর এলাকার ১১নং ওয়ার্ড গুনরাজদি এলাকার মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মনির হোসেন। মনির হোসেন একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে পেশায় ইজি বাইক চালক। ২৪ মার্চ পহেলা রমজান রাতে যাত্রী সেজে মনির হোসেনকে বঙ্গবন্ধু সড়কে নিয়ে তাকে অজ্ঞান করে ইজি বাইক চুরি করে নিয়ে যায় চোর চক্র। এরপর মনির হোসেন চাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আবদুর রশিদ ইজি বাইকটি খুজেঁ বের করার জন্য জোরালো চেষ্টা চালায়। তবুও ইজিবাইকটি খুজে পাওয়া যায়নি। এদিকে ইজিবাইক হারিয়ে খুবই হতাশাগ্রস্থ আর সাংসারিকভাবে খুবই অভাবে পড়ে মনির হোসেন। সে মারাত্মকভাবে ভেঙ্গে পড়ে।

বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে প্রতিবন্ধী মনির হোসেনের পাশে দাঁড়ায় চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আবদুর রশিদ ও ওসি (তদন্ত) ওয়ালি উল্যাহ। এ দু’ পুলিশ কর্মকর্তা ইজি বাইক কেনার জন্য মনির হোসেনকে ১ লাখ টাকা প্রদান করেন।

গত ৯ মে দুপুর ২টায় চাঁদপুর পৌরসভায় উপস্থিত হয়ে মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল-এর মাধ্যমে মনির হোসেনের হাতে ১ লাখ টাকা হস্তান্তর করেন চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও ওসি (তদন্ত)।

পুলিশ কর্মকর্তাদের এমন দৃষ্টান্ত দেখে উপস্থিত সকলে তাদের প্রশংসা করেন। এ সময় চাঁদপুর পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল বলেন, প্রতিবন্ধী মনির হোসেন যাতে তার নতুন ইজিবাইক নিয়ে চাঁদপুর পৌর এলাকায় নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে এ বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে।

Model Hospital

প্রতিবন্ধী মনির জানায়, ইজি বাইকটি চুরি হওয়ার পর আমি খুবই হতাশার মধ্যে ছিলাম। সংসার চালাতে পারছিলাম না। ইজিবাইকটি আমার একমাত্র আয়ের পথ ছিলো। চাঁদপুর মডেল থানার এ দুই স্যার আমাকে নতুন অটো কেনার জন্য ১ লাখ টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন। এটা আমার জীবনের পরম প্রাপ্তি।

‘নিজ স্ত্রীর সাথে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার রুকন পদ স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ পিএম
‘নিজ স্ত্রীর সাথে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার রুকন পদ স্থগিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মো. শহীদুল্লাহ্ (৪৬) নামের এক নেতার রুকনিয়াত সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দলটির ময়মনসিংহ মহানগর শাখা।

মো. শহীদুল্লাহ্ নগরের নতুন বাজার থানা জামায়াতের রুকন পদে ছিলেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি স্থানীয় নওমহল এলাকার আল আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত।

দলীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকাল থেকেই মো. শহীদুল্লাহ্‌র একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনার জন্ম দেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মহানগর জামায়াত জরুরি সভায় বসে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট নেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন এটি তার ব্যক্তিগত ভিডিও। তবে বিষয়টিকে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাৎক্ষণিকভাবে তার রুকনিয়াত স্থগিত করা হয়েছে।

Model Hospital

এদিকে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শহীদুল্লাহ্‌র দাবি, ছড়িয়ে পড়া দৃশ্যটি তার স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা সম্পূর্ণ পারিবারিক ও একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের। শত্রুতাবশত অজ্ঞাতপরিচয় কেউ তার মুঠোফোন থেকে ভিডিওটি হাতিয়ে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আগে থেকেই তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল এবং মোটা অঙ্কের অর্থও দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।