শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ভেকু দিয়ে মাটি উত্তলন॥ নষ্ঠ হচ্ছে গ্রামীন সড়ক

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ মে, ২০২৩, ১০:৫৮ পিএম
ফরিদগঞ্জে ভেকু দিয়ে মাটি উত্তলন॥ নষ্ঠ হচ্ছে গ্রামীন সড়ক

অবৈধ ভাবে প্রকাশ্যে ফসলি জমির মাটি কাটার কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছে প্রভাবশালী মহল। চলছে ফসলী জমির মাটিকাটা মহা উৎসব। কৃষি জমি পরিনত হচ্ছে পুকুর-ডোবায়। দিন দিন ফসলের উৎপাদন কমছে, বেকার হচ্ছে কৃষক, নষ্ট হচ্ছে সড়ক, দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।

মাটি পরিবহনে অবৈধ ভারী ট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রলি ব্যবহারে ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়ক হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ। আইন অমান্য করে এমনি কর্মকাণ্ড চলছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। ভেকু দিয়ে এ মাটি কাটছে। অবৈধ মাহেন্দ্র চলাচলে ধুলার কুয়াশায় ডেকে গেছে গোটা এলাকা।

সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার ১৫নং রুপসা উত্তর, ১৬নং রুপসা দক্ষিন, ৩নং সুবিদপুর, ৫নং গুপ্টি, ৮নং পাইকপাড়া ইউনিয়নে প্রকাশ্যে অবৈধ ভাবে চলছে ভেকু দিয়ে মাটি উত্তলন। এতে যেমন ফসলি জমি ক্ষতি হচ্ছে ঠিক তেমন নষ্ঠ হচ্ছে গ্রামীন সড়ক। উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের নাম ব্যবহার করে চলে এই সকল ভেকু ও অবৈধ ট্রাকটার। এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় লোকজন বলেন, ফসলী জমি থেকে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নেওয়ার কারনে জমির উর্বরতা নষ্ঠ হয়ে যায়। এতে ফসল উৎপাদন কমে যায়। এই সকল ভেকু দিয়ে মাটি কাটা বন্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি। এদিকে এইসকল মাটি নিতে ব্যবহারিত অবৈধ ট্রাকটারের কারনে নষ্ট হচ্ছে সড়ক। থানা পুলিশ মেনেজ করে চলে এইসকল ট্রাকটার। প্রথমে আটক করলে পরে টাকার বিনিময়ে তা ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

Model Hospital

কয়েকজন ভেকুর মালিক বলেন, নিজের জমিতে নিজেরা মাটি কাটবে তাতে আপনাদের সমস্যা কোথায়। আমরা এই সকল মাটি কাটতে উপজেলা প্রশাসন ও থানা মেনেজ করে করতে হয়। আমরা সেটার নিয়ম মেনে কাজ করেছি। আমরা সব মেনেজ করে রেখেছি।

ফরিদগঞ্জ থানা অফিসার ইনর্চাজ আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা এই বিষয়ে কিছুই জানিনা। তারা আমাদের না ব্যবহার করে এই কাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমুন নেছা বলেন, যেই খানে এই ধরনের খবর পাই সেই খানে আমরা লোক পাঠিয়ে থাকি। কিন্তু ঘটনাস্থলে ভেকুর মালিকসহ কাউকে না পেলে আমরা আলামত নিয়ে আসি। আমরা কাউকে চাড় দেইনা দেবো না। যারাই এই ধরেন কাজ করবে তাদের বিরোদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

১৫১ ধারায় আরও ১ জন

হাজীগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৭ পিএম
হাজীগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫

হাজীগঞ্জে পুলিশের পৃথক অভিযানে ১৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই অভিযানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের বিভিন্ন টিম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল মান্নান ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজীব শর্মার নির্দেশনায় এসআই নুরে আলম, এসআই মো. নাজমুল আলম ও এসআই মো. জহির উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ এসব অভিযান পরিচালনা করেন।

গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন—হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের ফুলছোয়া এলাকার মো. হাসেম (৩৮), মকিমাবাদ এলাকার মো. হারুন (২৮), চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের লোদেরগাঁও এলাকার শাহ আলম (৫২), হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার মকিমাবাদ এলাকার সোহাগ আহমেদ (৪২) এবং হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাউরা এলাকার পলাশ (২৩)। এছাড়া নাটেহরা এলাকার শাওন (২২) নামে আরও একজনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।

Model Hospital

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার প্রথম পাঁচজনের কাছ থেকে ১৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে হাজীগঞ্জ থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১০(ক)/১৯(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার শাওনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ছয়জনকেই শনিবার (৩ অক্টোবর) যথাসময়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।