ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নামাজ পড়তে মসজিদে গিয়ে নিখোঁজ, ৫ দিন পর শিশু সোহানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

  • এস. এম ইকবাল
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩
  • 1651

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিখোঁজের পাঁচ দিন দিন পর আট বছরের শিশু আদিল মাহমুদ সোহানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার পৌর এলাকার রুদ্র গাঁও তালুকদার বাড়ির পাশে একটি বিলের গর্তে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Model Hospital

নিহত আদিল মাহমুদ তালুকদার বাড়ির আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে কবির জুনিয়র প্রাইমারি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোহান গত ১৫ মে মাগরিবের নামাজ পড়তে মসজিদে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করে তার পরিবার। এছাড়াও পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি।

শুক্রবার একই বাড়ির একজন বৃদ্ধা পরিত্যক্ত স্থানে গিয়ে গর্তে মরদেহের হাত দেখতে পেয়ে পরিবারকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় পুরো এলাকার উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এদিকে নিষ্পাপ শিশুর এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ জানান, গত সোমবার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি নিখোঁজ ডায়রি করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে আজ সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি। দ্রুত হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

ট্যাগস :

নামাজ পড়তে মসজিদে গিয়ে নিখোঁজ, ৫ দিন পর শিশু সোহানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:১১:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ মে ২০২৩

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিখোঁজের পাঁচ দিন দিন পর আট বছরের শিশু আদিল মাহমুদ সোহানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার পৌর এলাকার রুদ্র গাঁও তালুকদার বাড়ির পাশে একটি বিলের গর্তে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Model Hospital

নিহত আদিল মাহমুদ তালুকদার বাড়ির আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে কবির জুনিয়র প্রাইমারি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোহান গত ১৫ মে মাগরিবের নামাজ পড়তে মসজিদে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রি করে তার পরিবার। এছাড়াও পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি।

শুক্রবার একই বাড়ির একজন বৃদ্ধা পরিত্যক্ত স্থানে গিয়ে গর্তে মরদেহের হাত দেখতে পেয়ে পরিবারকে জানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় পুরো এলাকার উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এদিকে নিষ্পাপ শিশুর এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ জানান, গত সোমবার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি নিখোঁজ ডায়রি করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে আজ সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি। দ্রুত হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।