শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে ‘তাল গাছ’

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩, ১০:১৭ পিএম
দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে ‘তাল গাছ’

কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষাকারী তাল গাছ। মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বন ও পরিবেশ রক্ষা ছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার তাল গাছ রোপণ করছেন। অপরদিকে বিভিন্ন এলাকায় তালগাছ কাটছেন করাতকলের মালিক ও কাঠ ব্যবসায়ীরা। এক শ্রেণির মানুষ কাটার মহোৎসবে মেতে উঠেছে। নানা কারণ দেখিয়ে রাস্তার পাশের ও ব্যক্তি মালিকানাধীন তাল গাছ কেটে বিভিন্ন করাতকলে বিক্রি করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তাল ও নারিকেল গাছ দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও বজ্রপাত প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা ও শোভাবর্ধনেও তাল ও নারিকেল গাছের জুড়ি মেলে না। একটা সময় বিভিন্ন সড়ক ও মহা-সড়কের পাশে সারি-সারি তাল গাছ শোভা পেতে দেখা গেছে।

এখনও দু’একটা তাল গাছ গ্রাম-গঞ্জের ঝোপ-ঝাড়ে দেখা গেলেও তা রক্ষায় নেই তেমন কোনো উদ্যোগ। অতীতে অ-পরিচিত মানুষের বাড়ি, জমি, পুকুর, মাঠ, মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন স্থান দেখানোর জন্য বলা হতো উঁচু ওই তাল গাছটার পাশে। এমনকি সরকারি বা বেসরকারিভাবে নানাদিক নির্দেশনার ক্ষেত্রেও তাল গাছের সহায়তা নেয়া হত।

Model Hospital

তালের পিঠা, তালের গুড়, তালের রস, তালের শাঁস সব মানুষের খুব মজাদার খাবার। বিশেষ করে অতীত সময়গুলোতে গ্রাম-বাংলায় তালের পিঠা ছাড়া আত্মীয়তা কল্পনাই করা যেত না। এছাড়া তাল গাছের পাতা দিয়ে তৈরি হয় নানা রকমের হাত পাখাও। ক্রমশই তাল গাছ হারিয়ে যাওয়ায় গ্রামীণ পরিবারগুলোতে নেই সেই তালের পিঠার অস্তিত্ব।

স্থানীয়রা কৃষকরা বলেন, যেভাবে তাল গাছ কাটা হচ্ছে, সেভাবে তালগাছ রোপণ করা হচ্ছে না। বিভিন্ন গ্রাম থেকে তাল ও নারিকেল গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে করাতকলে। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সুরক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে তাল গাছ রোপণের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

গ্রামবাংলার অধিকাংশ বাড়ি, রাস্তা ও মাঠে এক সময় প্রচুর পরিমাণ তালগাছ দেখা যেত। তবে কালের পরিক্রমায় আজ হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী তালগাছ। তবে এখন আর তেমন দেখা মেলে না তালগাছ। বাবুই পাখির বাসার হাজার হাজার বাবুই পাখির কইছির-মিচির ডাকের মনোরম দৃশ্যও চোখে পড়ে না আর।

তাই বর্তমানে দূর থেকে ঐ দেখা যায় তাল গাছ, ঐ আমাদের গাঁ, খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীনের সেই দৃশ্য আর দেখা যায় না। এই দৃশ্য এখন কল্পনাতেই রয়ে গেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital