ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মহানবী (সা.)–কে কটূক্তির অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষ

রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)–কে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এর জের ধরে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়েছে বলে জানা গেছে।

Model Hospital

আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা চলার পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর বিভাগের কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান।

অভিযুক্ত যুবক ফেসবুকে ‘হাফিজ সিরাজী’ নামে ভুয়া আইডি থেকে কয়েক মাস ধরে মহানবী (সা.)–কে নিয়ে নানা কটূক্তি করে আসছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। সম্প্রতি সেসব পোস্টের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

অভিযুক্তদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

রাত পৌনে ১০টার দিকে ওসি হাফিজুর বলেন, ‘মহানবী (সা.)–কে কটূক্তি করেছে এমন অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করে জনতা। তাকে উদ্ধার করে আমরা হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এর ফলে আমাদের ওপর হামলা করেছে স্থানীয়রা। এখনো থেমে থেমে হামলা করা হচ্ছে। কতজন আহত হয়েছে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।’

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খন্দকার মহিদউদ্দিন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যে এই পোস্ট দিয়েছে তাকে আমরা আটক করেছি। অনুভূতির কথা বলে এখানকার কিছু মানুষ ও কিছু সুযোগ সন্ধানী মানুষ মিলে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে। সে জন্য আমার দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা কাজ কছি। সংঘর্ষে পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়ছে। কত জনকে আটক করা হয়েছে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের পোস্টের বিপক্ষে আমি নিজেও। কেন এ ধরনের পোস্ট দিবে অভিযুক্ত ব্যক্তি? কোনো ঘটনা ঘটলে সুযোগ-সন্ধানীরা পুঁজি করতে চায়। পুলিশ এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে এসেছে। ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

ট্যাগস :

মহানবী (সা.)–কে কটূক্তির অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ১২:১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)–কে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এর জের ধরে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়েছে বলে জানা গেছে।

Model Hospital

আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা চলার পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর বিভাগের কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান।

অভিযুক্ত যুবক ফেসবুকে ‘হাফিজ সিরাজী’ নামে ভুয়া আইডি থেকে কয়েক মাস ধরে মহানবী (সা.)–কে নিয়ে নানা কটূক্তি করে আসছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। সম্প্রতি সেসব পোস্টের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

অভিযুক্তদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

রাত পৌনে ১০টার দিকে ওসি হাফিজুর বলেন, ‘মহানবী (সা.)–কে কটূক্তি করেছে এমন অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মারধর করে জনতা। তাকে উদ্ধার করে আমরা হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এর ফলে আমাদের ওপর হামলা করেছে স্থানীয়রা। এখনো থেমে থেমে হামলা করা হচ্ছে। কতজন আহত হয়েছে তা এখনো বলা যাচ্ছে না।’

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খন্দকার মহিদউদ্দিন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যে এই পোস্ট দিয়েছে তাকে আমরা আটক করেছি। অনুভূতির কথা বলে এখানকার কিছু মানুষ ও কিছু সুযোগ সন্ধানী মানুষ মিলে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে। সে জন্য আমার দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা কাজ কছি। সংঘর্ষে পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়ছে। কত জনকে আটক করা হয়েছে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের পোস্টের বিপক্ষে আমি নিজেও। কেন এ ধরনের পোস্ট দিবে অভিযুক্ত ব্যক্তি? কোনো ঘটনা ঘটলে সুযোগ-সন্ধানীরা পুঁজি করতে চায়। পুলিশ এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে এসেছে। ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’