শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর শহরে আইপিএস এর ব্যবসার নামে চলছে প্রতারনা

মো: মুছা তপদার প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩, ১০:৫৪ পিএম
চাঁদপুর শহরে আইপিএস এর ব্যবসার নামে চলছে প্রতারনা

চাঁদপুর শহরে চিত্রলেখার পশ্চিমে নিলুফা ভ্রবনের (হোল্ডিং নং ১১১৬) দ্বিতীয় তলায় নিজ বাস ভ্রবন থেকে আইপি এস এর ব্যবসার নামে গ্রাহকদের সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে লাইসেন্স বিহীন প্রতিষ্ঠান কথিত আইপিএস মিউজিয়াম এর স্বত্বাধিকারী সোহেব মোঃ কলিম।

নামি দামি ব্র্যান্ডের স্টিকার ব্যাটারি ও মেশিনের গায়ে লাগিয়ে সোহেব মোঃ কলিম অধিক মুনাফায় গ্রাহকের নিকট আইপিএস বিক্রি করে। বিক্রিকালীন সময় অস্তিত্ব বিহীন আইপিএস মিউজিয়াম নামে একটি ক্যাশ মেমোর মাঝে মেশিন ও ব্যাটারির বিভিন্ন মেয়াদের গ্যারান্টি লিখে দেন। এরপর শুরু হয় তার আসল প্রতারনা। গ্যারান্টি দেওয়া মেশিন ও ব্যাটারির সমস্যা দেখে দিলে সার্ভিসিং এর নাম করে গ্রাহকদের বাসায় গিয়ে তা নিয়ে আসে। সাভিসিং করে আইপিএস টি ঠিক করা হলে নামিদামি ব্র্যান্ডের স্টিকার ব্যবহার করে অন্যত্র বিক্রি করে দেন এই প্রতারক।

একই আইপিএস এর মেশিন ও ব্যাটারি বিক্রি করেন বহু গ্রাহকের কাছে। সাভিসিং এর নাম করে আর ফিরে দেওয়া হয় না ভুক্তভোগী’র আইপিএস। গ্রাহকদের বাসায় গিয়ে মহিলাদের সাথে অনৈতিক প্রস্তাব ও ভাজে দৃষ্টিতে তাকানো তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

আইপিএস ক্রয়করা মতলব দক্ষিণ’র এক ভুক্তভোগীর স্ত্রী আখি জানান আমি ও আমার স্বামী আমাদের বাসার জন্য সোহেব মোঃ কলিম এর নিকট থেকে ১১/৯/২০২২ তারিখে ৩৫০০০/ টাকা দিয়ে একটি আইপিএস ক্রয় করি। ১২০০ ভি এ আইপিএস এর মিশিন গ্যারান্টি পাঁচ বছর, ব্যাটারী গ্যারান্টি দুই বছর ছিল। আইপিএস টি কিছু দিন ব্যবহার করার পর তা সমস্যা দেখা দিলে সোহেব মোঃ কলিম কে জানানে সে আমাদের বাসায় আসে। বাসায় আমার ছেলের সামনে আমাকে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রস্তাব দেয় ও আজেবাজে কথা বলে। আইপিএস সাভিসিং এর নাম করে মিশিন ও ব্যাটারী নিয়ে গেলে দেই দিচ্ছি করে কমপক্ষে একশো তারিখ দিয়েও আর দেয় না। পরে আমি ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর কার্যালয়ে ১৬ জুলাই লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে ২৩ জুলাই বিকালে সে নিম্নমানের ৭০০ ভিএ ব্যাটারী আমার বাসায় নিয়ে আসে, আমি এটি ফেরত দিয়ে আমার ক্রয়কৃত ব্যাটারী ও মিশিন চাই। এই সময় সে আমার বাসায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম ভাঙ্গিয়ে আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। ভোক্তা অধিদপ্তর নাকি তার কিছুই করতে পারবে না। পরের দিন ২৪ জুলাই সে ভোক্তা অধিদপ্তর এর শুনানিতে যাবেনা বলে। এখন সে বিভিন্ন মানুষ দিয়ে হুমকি ধামকি ও চাপ প্রয়োগ করতেছে ভুক্তা অধিদপ্তরের অভিযোগ তুলে নিতে।

Model Hospital

এই দিকে ভোক্তভোগী আখি ছাড়াও আরো ২ জন ভুক্তভোগী ভোক্তা অধিদপ্তর চাঁদপুর কার্যালয়ে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। নিলুফা ভ্রবনের নিচ তলায় স্বর্ণকারের দোকানদার সহ মহল্লার মানুষ জানান সোহেব মোঃ কলিম এক জন প্রতারক। সারাদিন বিভিন্ন জায়গায় থেকে আই পিএস এর গ্রাহকরা অভিযোগ নিয়ে আসে। সে কাউকে তোয়াক্কা করে না। সে হাজার হাজার মানুষ এর সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে। প্রতারনার টাকা দিয়ে সে নারীদের সাথে আমোদ ফুর্তি করে বলে জানান।

এই দিকে সোহেব মোঃ কলিম এর ছেলে জানান আব্বুর এই কর্মকান্ডের জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষ অভিযোগ নিয়ে আমাদের বাসায় আসে। যা রীতিমতো আমাদের জন্য অপমান জনক। আব্বু টাকা দিয়ে কি করে জানি না,বাসায়ও ঠিক মত থাকে না। এদিকে কলেজেও আমার অনেক টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।