শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ছাঁদ থেকে নামতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে কিশোর

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩, ১১:১১ পিএম
চাঁদপুরে ছাঁদ থেকে নামতে গিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে কিশোর

চলন্ত ট্রেনের বগির মাঝখানে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক যাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (৩০ জুলাই) চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের মধুরোড রেলওয়ে স্টেশনে।

জানা যায়, চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাঁদ থেকে নামতে গিয়ে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের মধুরোড স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের বগির মাঝখানে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের পাঁচ বাড়িয়া হাওলাদার বাড়ির মোঃ বিল্লাল হোসেন এর ছোট ছেলে রাকিব হাওলাদার (১৬)। সে আরো চারজন সহ চাঁদপুর বড় স্টেশন থেকে ট্রেনের ছাঁদে উঠেন। দুপুর ৩টার দিকে মধুরোড স্টেশনে ট্রেন থামালে তার বাড়ির এমরান নামে এক ছেলে ছাঁদে পাথর নিক্ষেপ করলে রাকিব নামতে নামতে ট্রেন ছেড়ে দিলে বগির মাঝখানে আটকে গিয়ে ৫০-৬০ ফুট দূরে গিয়ে ছিটকে পড়ে যায়। এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখন হয় সে। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে মধুরোড স্টেশন মাষ্টার বেলাল হোসেন বলেন, আহত ব্যক্তির সাথের এমরান নামে একটি ছেলে চাঁদপুরে কি নিয়ে যেন বাকবিতন্ড হয়। ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সে ছাঁদে পাথর নিক্ষেপ করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। পরে আমি তাকে একটি কক্ষে বন্ধি করে রেখে চাঁদপুর রেলওয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। এর মাঝখানে আবার খবর আসে আহত রাকিব এর দূর্ঘটনার কথা। উক্ত ঘটনার বিষয়ে কথা বলতে রবিবার রাতে চাঁদপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মুরাদ উল্যাহর মোবাইলে কল দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।