শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জীবনের ঝু্ঁকি নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তা আর ভাঙ্গা ব্রিজ দিয়েই মহামায়া রাজারগাঁওবাসীর চলাচল

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩, ১০:০৭ পিএম
জীবনের ঝু্ঁকি নিয়ে ভাঙ্গা রাস্তা আর ভাঙ্গা ব্রিজ দিয়েই মহামায়া রাজারগাঁওবাসীর চলাচল
চাঁদপুর জেলা সদরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াতের জন্য অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম মহামায়া-রাজারগাঁও সড়ক।
বহু ঘাত ও প্রতিঘাত সহ্য করে জনসাধারণ এ সড়কে চলাচল করলেও হাজীগঞ্জ উপজেলা অংশের দক্ষিণ পশ্চিম রাজারগাঁও ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে আছে জড়াজীর্ন অবস্থায়। ব্রিজের উপরের অংশের আস্তর (প্রস্তর) উঠে গিয়েছে অনেক আগেই। ভেঙ্গে গেছে দুই পাশের ভিম ও রেলিং। বাকী অংশটুকুও যে কোন সময়ে ধ্বসে পড়ার আশংকা নিয়ে মানুষজন ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করছে।
মিজানুর রহমান নামে এক পথচারী বলেন, আমরা জন্মগত ভাবে দেখে আসছি যে, রাস্তা থেকে শুরু করে বইচাতলী খালের উপর প্রথমে বাঁশের সাঁকো, তারপর কাঠের ব্রিজ। তার পরবর্তী ২০০০ সালের পরে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে ব্রিজের এমন অবস্থা যে কোন সময় ধ্বসে পড়ে যেতে পারে। দীর্ঘ দিন ব্রিজের দুই পাশের হাতা, ভিম ভেঙ্গে পড়েছে। গত কয়েক বছরে ব্রিজের উপর থেকে সাইকেল, রিক্সাসহ বিভিন্ন যানবাহন পড়ে অনেকেই আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
সিএনজি চালক মোঃ সোবহান বলেন, দীর্ঘদিন যাবত মহামায়া-রাজারগাঁও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির পাঁকাকরণ ও ব্রিজ সমস্যা থাকলেও গত কয়েক মাস পূর্বে রাস্তার টেন্ডার হলেও কাজ চালু করার কোন খবর নেই। এবং ব্রিজটি নির্মাণের কোন খবরও নেই। ব্রিজটি টেন্ডার না হওয়ায় মহামায়া-রাজারগাঁও রাস্তার সেই ভোগান্তি থেকেই গেল। যদিও জনগনের আশা ছিল ব্রিজ নির্মাণ ও রাস্তা পাঁকা করণ কাজ এক সাথেই টেন্ডার হবে।
কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত রাস্তাটি পাকা করণ কাজের প্রক্রিয়া করা হলেও ব্রিজের সমস্যা থেকেই গেল। তাতে জনগণের ভোগান্তির আর শেষ হলো না।

দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
দেশে না থেকেও মানুষের পাশে—কচুয়ার প্রবাসী সোহেল সওদাগরের মানবিকতায় মুগ্ধ এলাকাবাসী

সামাজিক ও মানবিক কাজ করে প্রতিটি মানুষের মনে স্থান নিয়েছে প্রবাসী সোহেল সওদাগর।

সোহেল সদাগর কচুয়া উপজেলার কড়‌ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি গ্ৰামের কৃতি সন্তান। তার বাবা সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম সিরাজুল ইসলাম । ভাই বোনদের মধ্যে সবার ছোট সোহেল সওদাগর।

এলাকাসহ কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে অসহায় গরিব দুঃখী মানুষের মুখে সোহেল সদাগর মানবতার ফেরিওয়ালা নামে  শোনা যাচ্ছে।কর্মজীবনে তিনি সৌদি আরবে ফারি জমায়, বর্তমানে তার সৌদি আরবে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার জীবনের  উপার্জনের টাকার মধ্যে প্রায় ৫০% টাকা গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে দেখা যায়।

প্রতিবছরের প্রায় দুই থেকে তিনবার এলাকায় এসে  বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে কোন ব্যক্তির জটিল রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কর্মসংস্থার ব্যবস্থা করেন।

Model Hospital

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন। তার এই কর্মকান্ডে কচুয়া উপজেলা বাসির কাছে একজন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে মানুষের মনের জায়গায় করে নিয়েছেন।

কচুয়ার একাধিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জানান,সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন প্রবাসী সোহেল সওদাগর।
সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ সোহেল সওদাগর। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
কচুয়ার সাধারণ জনগণ জানান, মানবিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সোহেল সওদাগর নিঃস্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
নিজ অর্থায়নে মসজিদ, মাদ্রাসা,ধর্মিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সোহেল সওদাগর বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সাথে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, মানবিক জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ। একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্মতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।