বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে আগুনে বসতঘরসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ৩:১০ পিএম
মতলব উত্তরে আগুনে বসতঘরসহ ১০ দোকান পুড়ে ছাই

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের আমিরাবাদ বাজারে ১০টি দোকানে আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

মতলব উত্তর ব্যুরো : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের আমিরাবাদ বাজারে ১০টি দোকানে আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে এই ঘটনাটি ঘটে।

খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস এর ২টি ইউনিট দীর্ঘ ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, দুপুর আনুমানিক সোয়া ১২টার সময় হঠাৎ করেই আগুনের সূত্রপাত হয় পরে মুহূূর্তে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাজারের ১০ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে পাটের গুদাম, ওয়ার্কশপ, লেপ তোশকের দোকান, কাঠের দোকান, রেষ্টুরেন্ট, কনফেকশনারী, কসমেটিকস দোকান ও ১টি বসত ঘর রয়েছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী তাদের।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে। যত শিগগিরই উদ্বোধন করা হবে, আমরা ব্যবসায়ীরা তত নিরাপদ থাকবো। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে অনুরোধ প্রয়োজনীয় জনবল এবং অগ্নি নির্বাপণ কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জমাদী প্রদান করে অগ্নিকাণ্ডের হাত তেকে জানমাল রক্ষা করতে অনুরোধ জানান।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আফরোজা হাবিব শাপলা, উপ পুলিশ পরিদর্শক প্রকাশ প্রণয় দে, আউয়াল, নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান রেজাউল করিম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।

Model Hospital

ক্ষতিগ্রস্থ হার্ডওয়্যারের দোকানের মালিক আল আমিন তপাদার জানান, প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল ছিল, আমি এখন নিস্ব। পাশের দোকানদার মোজাম্মেল বলেন, আমার দোকানের ২ লাখ টাকার মাল পুরে শেষ হয়ে গেছে। কাঠের দোকান মালিক সরোয়ার জানান, তার দোকানের ১০ লাখ টাকার মালামাল ছিল যা পুড়ে যায়। গুদাম মালিক আসলাম জানান, তার দোকানের ৭ লাখ টাকার মালামাল ছিল যা পুরে যায়। লেপ তোশকের দোকান মালিক আলী জানান, তার দোকানের ৩লাখ টাকার মালামাল ছিল যা পুড়ে যায়। এছাড়াও আশেপাশের কয়েকটি দোকানের মালামাল ক্ষতি হয়েছে।

চাঁদপুর থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক রবিউল বলেন, খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষনিক ১৭ জনের একটি টিম নিয়ে মতলব দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন অফিসার আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টায় ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়েছি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান তদন্ত স্বাপেক্ষে জানা যাবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।