ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
উপজেলার শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

কচুয়ায় এইচএসসিতে পাশের হার ৯২.৪৯, আলিমে ৯২.৩৬, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২১৮জন

২৬ নভেম্বর রবিবার প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষায় ৯টি কলেজ থেকে সর্বমোট ২ হাজার ১শত ৪৪জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১হাজার ৯শ ৮৩জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

Model Hospital

তন্মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৯০ জন। শতকরা পাশের হার ৯২.৪৯। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে কচুয়ার হাসিমপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ। এ কলেজ থেকে এ বছর ১শ ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহনে ১০০ভাগ পাশ সহ জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৭ জন।

এছাড়া কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজ ৩৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩১৭ জন উত্তীর্ণ হয়, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০৯ জন, পাশের হার ৯৪.০৭%।

শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজ ২২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ২২০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন, পাশের হার ৯৬.৪৯%। সাচার ডিগ্রি কলেজ ৩২৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ২৭৮জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাশের হার ৮৪.৭৬%। পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ ৪১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৩৮৬জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৩ জন, পাশের হার ৯৩.২৪%। নুরুল আজাদ কলেজ ১০৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৫৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাশের হার ৫৩.৭০%। আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজ ২৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ২৭৭জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২জন, পাশের হার ৯৯.৬৪%।

চাঁদপুর এম.এ খালেক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ ১০২জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০২জন উত্তীর্ণ হয়, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০৮জন, পাশের হার ১০০%। নিন্দপুর এম কে আলমগীর স্কুল এন্ড কলেজ ২০৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ১৯৯জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০জন, পাশের হার ৯৮.০৩%।

অপর দিকে আলিম পরীক্ষায় ৪শ’ ৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৪শ’ ৩৫জন কৃতকার্য হয়। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৮ জন। যার পাসের হার ৯২.৩৬%। এ বছর উপজেলা মাদ্রাসা পর্যায়ে শীর্ষ অবস্থান করছে কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসা।

এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে শতভাগ শতভাগ উত্তীর্ণ হয়েছে । জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭জন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর শহরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালো অ্যাড. হুমায়ুন কবির সুমন

উপজেলার শীর্ষে ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ

কচুয়ায় এইচএসসিতে পাশের হার ৯২.৪৯, আলিমে ৯২.৩৬, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২১৮জন

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৩

২৬ নভেম্বর রবিবার প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষায় ৯টি কলেজ থেকে সর্বমোট ২ হাজার ১শত ৪৪জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১হাজার ৯শ ৮৩জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

Model Hospital

তন্মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১শ ৯০ জন। শতকরা পাশের হার ৯২.৪৯। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে কচুয়ার হাসিমপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ। এ কলেজ থেকে এ বছর ১শ ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহনে ১০০ভাগ পাশ সহ জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৭ জন।

এছাড়া কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজ ৩৩৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩১৭ জন উত্তীর্ণ হয়, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০৯ জন, পাশের হার ৯৪.০৭%।

শেখ মুজিবুর রহমান ডিগ্রি কলেজ ২২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ২২০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন, পাশের হার ৯৬.৪৯%। সাচার ডিগ্রি কলেজ ৩২৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ২৭৮জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাশের হার ৮৪.৭৬%। পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ ৪১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৩৮৬জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৩ জন, পাশের হার ৯৩.২৪%। নুরুল আজাদ কলেজ ১০৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৫৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাশের হার ৫৩.৭০%। আশেক আলী খান স্কুল এন্ড কলেজ ২৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ২৭৭জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২জন, পাশের হার ৯৯.৬৪%।

চাঁদপুর এম.এ খালেক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ ১০২জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০২জন উত্তীর্ণ হয়, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০৮জন, পাশের হার ১০০%। নিন্দপুর এম কে আলমগীর স্কুল এন্ড কলেজ ২০৩জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ১৯৯জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০জন, পাশের হার ৯৮.০৩%।

অপর দিকে আলিম পরীক্ষায় ৪শ’ ৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৪শ’ ৩৫জন কৃতকার্য হয়। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৮ জন। যার পাসের হার ৯২.৩৬%। এ বছর উপজেলা মাদ্রাসা পর্যায়ে শীর্ষ অবস্থান করছে কাদলা এসএস ফাজিল মাদ্রাসা।

এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে শতভাগ শতভাগ উত্তীর্ণ হয়েছে । জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭জন।