বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গরুর মাংস ৫৪০ টাকা কেজি, মাইকিং করেও হচ্ছে না বিক্রি

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৫:১৮ পিএম
গরুর মাংস ৫৪০ টাকা কেজি, মাইকিং করেও হচ্ছে না বিক্রি

নিয়ন্ত্রণহীন দামের কারণে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের কাছে গরুর মাংস খাওয়া যেন বিলাসিতা। মাংসের দোকানগুলোও প্রায় ক্রেতাশূন্য। হাট-বাজারগুলোতে আগে প্রতিদিন ২-৪টি গরু জবাই করা হলেও এখন একটি গরু জবাই করেও বিক্রির জন্য অপেক্ষা করতে হয় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। এমন পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন লালমনিরহাটের মাংস ব্যবসায়ীরা।

জবাই করার আগে গরু পিকআপভ্যানে তুলে গ্রামে ঘুরিয়ে মাইকিং করছেন তারা। এতে আকর্ষিত হচ্ছেন ক্রেতারাও। কদিন আগেও যে মাংস বিক্রি হয়েছে কেজি ৭০০-৮০০ টাকায়, এখন তা ৫৪০-৫৬০ টাকায় কিনছেন ক্রেতারা। কম দামে গরুর মাংস কিনে খুশি সাধারণ মানুষ।

সরেজমিনে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা, সানিয়াজান, হাটখোলা, ঘুন্টিঘর, দইখাওয়া ও কালীগঞ্জ উপজেলার ভুল্লারহাট, হাজরানীয়া ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা দোকানে মাইক লাগিয়ে বিক্রি করছেন গরুর মাংস। কম দামে মাংস কিনতে ক্রেতাদের ভিড় লেগে আছে। কালীগঞ্জ উপজেলার ভুল্যারহাট বাজারের কসাই ইসহাক আলী প্রথমে এ উদ্যোগ নেন। তিনি ৫৪০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করছেন। হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ভিতর বাজারের মাংস বিক্রেতা দুলাল হোসেন গত ১৫ দিন ধরে এ দামে মাংস বিক্রি করছেন। তবে পাঁচ কেজি বা তার বেশি নিলে ৫১০-৫২০ টাকা কেজি রাখছেন মাংস বিক্রেতারা।

বড়খাতা বাজারের মাংসবিক্রেতা দুলাল হোসেন বলেন, ‘আগে গরুর দাম বেশি ছিল তাই মাংসের দামও ছিল বেশি। এখন গরুর দাম কমে গেছে। তাই আমরা মাংসও কম দামে বিক্রি করছি। আমরা চাই সবাই যেন গরুর মাংস কিনে খেতে পারেন।’

Model Hospital

গরুর মাংস কিনতে এসেছিলেন মো. অপু। তিনি বলেন, ‘আগে মাংসের দাম খুব বেশি ছিল তাই কিনতে পারেনি। এখন দাম কমছে তাই কয়েক কেজি কিনলাম।’

ভুল্যাহাটের মাংস ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম, ‘বাজার থেকে ভালোমানের গরু কিনে ৫৪০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করছি। আগে মাংসের দাম বেশি ছিল তাই বিক্রি কমে গেছে। এখন দাম কমায় বিক্রি বেড়েছে।’

হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, বড়খাতা বাজারের মাংস ব্যবসায়ীরা যাতে সুস্থ গরু জবাই করেন সে বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, হাট-বাজারগুলোতে মাংসের দাম কমে গেছে। ৬০০ টাকার ওপরে কেউ মাংস বিক্রি করতে পারবেন না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital