বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জ বালিথুবায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলা, আহত ১০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:৪৮ পিএম
ফরিদগঞ্জ বালিথুবায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলা, আহত ১০

নিজস্ব প্রতিনিধি : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে ফরিদগঞ্জের ২ নং বালিথুবা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র আনারস মার্কার প্রার্থী মোঃ হারুন অর রশিদের সমর্থকদের প্রচার প্রচারনাকালে একদল সন্ত্রাসী তাদেরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেছে। দফায় দফায় হামলার ঘটনায় স্বতন্ত্রপ্রার্থীর প্রায় ১০ জন সমর্থনকে কুপিয়ে জখম করেছে।

বুধবার বিকালে একতা বাজারে আনারসের সমর্থনে মাইক নিয়ে প্রচারকালে মাইকম্যান মাহফুজ তপাদার, সিএনজি চালক ইলিয়াছ ও তার সাথে থাকা,আমির হোসেনকে ব্যাপক মারধর করে।

হামলাকারীরা বালুথুবা ইউনিয়নে অতর্কিতভাবে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে পৃথকভাবে হামলা চালিয়েছে।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জানান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা জানান, চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুন অর রশিদের আনারস মার্কার প্রচার প্রচারনা কালে আবু সুফিয়ান,হেলাল,কাউছার, জাকির,মিলন,আলআমিন মজুমদার,সিপন খান,জুটন মিজি,কালা মনির ও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী একতা বাজারে মাইকিং করার সময় আমাদের মাইক ভাংচুর ও আমাদেরকে ব্যাপক মারধোর করে।

Model Hospital

নৌকা মার্কার প্রার্থী ইন্দনে তার সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। এছাড়া তারা আনারস মার্কার প্রচার কালে মাইক ভেঙে ফেলে গাড়ি রাস্তার পাশে ফেলে দিয়েছে। তারা জানে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ও আনারস মার্কার পোস্টার ফেস্টুন ব্যানার সিরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। পরে স্থানীয়রা আমাদেরকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়।খবর পেয়ে চেয়ারম্যান হারুর হাসপাতালে আহতদের কে দেখতে যায়।

এ বিষয়ে বালুথুবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আনারস মার্কার প্রার্থী হারুনুর রশীদ জানান, নৌকা মার্কার প্রতিপক্ষ প্রার্থী বহিরাগত লোকজন দের এনে এলাকায় সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালাচ্ছে। প্রচার প্রচারণার সময় তারা আনারস মার্কার সমর্থনে উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাদেরকে আহত করেছে। আগামী ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে তারা কেন্দ্র দখল ও হামলা করার পরিকল্পনা করছে।

ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরী প্রয়োজন।
নির্বাচনের দিন বালুথুবা ইউনিয়নে পুলিশ বিডিআর ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি করার জোর দাবী জানাই। যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয় তাহলে বিপুল ভোটে আনারস মার্কা বিজয়ী হবে। অতীতে যেভাবে অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি পুনরায় নির্বাচিত হতে পারলে ভবিষ্যতেও এই ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করব।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।