বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার

শাহরাস্তিতে কথিত ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগির অবস্থা আশংকাজনক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৯:১৯ পিএম
শাহরাস্তিতে কথিত ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রোগির অবস্থা আশংকাজনক
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে কথিত ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অসহায় পরিবারের ফাতেমা বেগম।
ঘটনাটি উপজেলার টামটা দক্ষিন ইউনিয়নের বলশীদ দৈলবাড়িতে ঘটে।
জানা যায়, দৈলবাড়ি দীঘিরপাড়ের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা বেগম রক্ত শুন্যতা রোগ নিয়ে কথিত ডাক্তার মোতাহের হোসেন সুমনের কাছে যায়। তখন তিনি রোগির কিছু শারিরীক পরীক্ষা দেন। যা পরবর্তীতে সীলগালা করা মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরীক্ষা করান। পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে তিনি ঔষধ ও ২০ ইনজেকশন প্রদান করেন। ইনজেকশনের প্বার্শ প্রতিক্রিয়ায় রোগী এখন মৃত্যুর সাথে লড়াই করছেন।
এবিষয় ফাতেমার স্বামী সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ডাঃ এসএম মোতাহের হোসেনকে বিবাদী করে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পর কথিত ডাক্তার স্থানিয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে রোগীর এলাকায় একটি সালিশ দরবারের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
অভিযোগের বাদী সাইফুল ইসলাম জানান, আমি গরীব ও অসহায় একজন মানুষ। ডাক্তার মোতাহেরের কিছু দালাল রয়েছে আমাদের বলশীদ এলাকায়। যারা অসহায় পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে মোতাহের ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। আমি যখন যেটা পাই সেই কাজটাই করি। ঘটনার দিন আমি রাজ মিস্ত্রীর সাথে জুগালীর কাজে গিয়েছিলাম। আমি বাসায় ফিরলে আমার স্ত্রী ফাতেমা আমাকে বিষয়টি জানায়।
পরবর্তিতে ওই ডাক্তারের চিকিৎসা চলমান রাখি। একটা সময় আমার স্ত্রী আরও অসুস্থ হতে থাকে। তখন আবার ডাক্তার মোতাহেরের কাছে গেলে তিনি পুরাতন চিকিৎসা পত্র ছিঁড়ে আবারও নতুন চিকিৎসা পত্র ও নতুন ঔষধ লিখে দেন। আমার স্ত্রীর সকল শারিরীক পরীক্ষা কালিবাড়ির মা ও শিশু হাসপাতালে করান। প্রায় ৪০ হাজার টাকার পরীক্ষা দেন তিনি। একটা সময় আমার স্ত্রীর অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। তখন আমি অন্য ডাক্তার শরণাপন্ন  হই। তখন সেখানে গেলে দেখা যায়, মোতাহের ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার কারনে আজ আমার স্ত্রীর এই অবস্থা। দীর্ঘ মেয়াদী ও ব্যাপক ব্যয় বহুল চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তুলতে হবে বলে জানান তিনি।
ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ্ আল মামুন বলেন, সাইফুল অত্যন্ত গরীব ও অসহায় একজন মানুষ। সে খুবই সহজ সরল প্রকৃতির লোক। ডাক্তার মোতাহের হোসেন প্রকৃত পক্ষে কোন চিকিৎসক নন। গরীব ও অসহায় মানুষকে চিকিৎসার নামে তাদের রক্ত চুষে খায়। আজ সাইফুলের স্ত্রী মৃত্যু শয্যায়। ছোট ছোট দুটি পুত্র সন্তান রয়েছে তাদের। পুরাতন একটি দোচালা ঘরে তাদের বসবাস। এমন অসহায় মানুষটি ক্ষতির জন্য মোতাহের ডাক্তারের সঠিক বিচার হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ডাক্তার মোতাহের বলেন, আমি সঠিক চিকিৎসা দিয়েছি। রোগীনি অন্য চিকিৎসকের সহযোগিতা নিয়ে তার শারিরীক সমস্যা সৃষ্টি করেছেন। এটার জন্য আমি কেন দায়িত্ব নিবো। এই ইনজেকশন আপনি দিতে চিকিৎসা পত্রে লিখতে পারেন কিনা?
এমন প্রশ্ন করলে তিনি নিরবতা পালন করেন।
এলাকাবাসী বলেন, এই ডাক্তারের দ্বারা একই বাড়ির আরেক নারী রোগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই ঘটনায় ডাক্তার মোতাহের ১লক্ষ টাকা জরিমান প্রদান করেন। এই ডাক্তারের চিকিৎসা প্রদানের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রসাশনের নজরদারিতা একান্ত প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital