ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
প্রয়োজন বাড়তি নিরাপত্তা

ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছে চাঁদপুরের মার্কেটগুলো

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ভিড় বেড়েছে জেলা শহরের প্রতিটি শপিংমল ও বিপণি-বিতানে। পাশাপাশি ফুটপাতেও কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে স্বল্প আয়ের মানুষদের। নতুন জামা-জুতো এবং প্রসাধনী সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আকর্ষণীয় মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পেরে খুশি।
সোমবার (২৫ মার্চ) চাঁদপুর জেলা শহরের পাশাপাশি সরদ উপজেলার বাবুরহাট, মহামায়া, মতলব বাজার, হাজীগঞ্জ বাজার সহ অন্যান্য উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারের মার্কেটে ঘুরে এই দৃশ্য দেখা যায়।
ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা আগেভাগেই ঈদ শপিং করে নিচ্ছি। তার কারন হিসেবে জানতে চাইলে তারা জানান, পরে ভালো মানের কাপড় না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। অন্য ক্রেতারা বলছেন, ছেলে-মেয়ের শশুর বাড়িতে পছন্দসই কাপড় চোপড় পাঠানোর জন্য আগেভাগে কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি।
এদিকে কাপড়ের দোকান ছাড়াও জুতার দোকান, কসমেটিকস এর দোকানেও শিশু থেকে বৃদ্ধরা ভিড় করছেন তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে। তবে সদর উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে আরো দেখা যায়, পুরুষের তুলনায় নারী ও শিশু ক্রেতারাই ভিড় করছেন মার্কেটগুলোতে। কম দামে ভালো পোশাক কিনতে মার্কেটে আগেভাগেই ছুটে এসেছেন তারা। ভিড় সামলাতে বিক্রেতারাও তাদের নিয়োজিত কর্মচারীর পাশাপাশি বাড়তি লোক নিয়োগ দিতে দেখা যায় দোকানগুলোতে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বিপনি-বিতানগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করলেও চোর ও ছিনতাইকারীদের কৌশলে যেন হার মানতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতারা।
বিক্রেতাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ১০ রোজার আগে থেকেই ক্রেতাদের চাপ বাড়তে থাকে। তাদের চাহিদামত পণ্য নিতেই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোকানে ভিড় করে থাকেন।
দুপুরের পর বেশি একটা ক্রেতা দেখা মেলেনি। তবে রোজার শেষ দিকে এসে আবার বিকেল থেকে ক্রেতাদের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতারা বলেন, পাইকাররা ১০ রোজার আগেই মোকাম করে এসেছেন। হয়তো রোজার শেষ দিকে কিছুটা সংকট দেখা দিতে পারে। তবে রোজার মধ্যে আবারো মোকাম করতে হতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।
এদিকে ঈদকে আনন্দময় করে তুলতে জান মাল রক্ষায় রাস্তাঘাটসহ মার্কেটগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের কাছে আগাম অনুরোধ জানিয়েছেন মার্কেট কর্তৃপক্ষসহ ক্রেতা-বিক্রেতারা।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে স্ত্রীকে মাংস কিনে খাওয়াতে না পেরে চিরকুট লিখে আত্মহত্যা

প্রয়োজন বাড়তি নিরাপত্তা

ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছে চাঁদপুরের মার্কেটগুলো

আপডেট সময় : ১০:১৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে চাঁদপুরের মার্কেটগুলোতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ভিড় বেড়েছে জেলা শহরের প্রতিটি শপিংমল ও বিপণি-বিতানে। পাশাপাশি ফুটপাতেও কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে স্বল্প আয়ের মানুষদের। নতুন জামা-জুতো এবং প্রসাধনী সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরাও ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আকর্ষণীয় মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে পেরে খুশি।
সোমবার (২৫ মার্চ) চাঁদপুর জেলা শহরের পাশাপাশি সরদ উপজেলার বাবুরহাট, মহামায়া, মতলব বাজার, হাজীগঞ্জ বাজার সহ অন্যান্য উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারের মার্কেটে ঘুরে এই দৃশ্য দেখা যায়।
ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা আগেভাগেই ঈদ শপিং করে নিচ্ছি। তার কারন হিসেবে জানতে চাইলে তারা জানান, পরে ভালো মানের কাপড় না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। অন্য ক্রেতারা বলছেন, ছেলে-মেয়ের শশুর বাড়িতে পছন্দসই কাপড় চোপড় পাঠানোর জন্য আগেভাগে কেনাকাটা সেরে নিচ্ছি।
এদিকে কাপড়ের দোকান ছাড়াও জুতার দোকান, কসমেটিকস এর দোকানেও শিশু থেকে বৃদ্ধরা ভিড় করছেন তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে। তবে সদর উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে আরো দেখা যায়, পুরুষের তুলনায় নারী ও শিশু ক্রেতারাই ভিড় করছেন মার্কেটগুলোতে। কম দামে ভালো পোশাক কিনতে মার্কেটে আগেভাগেই ছুটে এসেছেন তারা। ভিড় সামলাতে বিক্রেতারাও তাদের নিয়োজিত কর্মচারীর পাশাপাশি বাড়তি লোক নিয়োগ দিতে দেখা যায় দোকানগুলোতে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বিপনি-বিতানগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করলেও চোর ও ছিনতাইকারীদের কৌশলে যেন হার মানতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতারা।
বিক্রেতাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, ১০ রোজার আগে থেকেই ক্রেতাদের চাপ বাড়তে থাকে। তাদের চাহিদামত পণ্য নিতেই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দোকানে ভিড় করে থাকেন।
দুপুরের পর বেশি একটা ক্রেতা দেখা মেলেনি। তবে রোজার শেষ দিকে এসে আবার বিকেল থেকে ক্রেতাদের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে বিক্রেতারা বলেন, পাইকাররা ১০ রোজার আগেই মোকাম করে এসেছেন। হয়তো রোজার শেষ দিকে কিছুটা সংকট দেখা দিতে পারে। তবে রোজার মধ্যে আবারো মোকাম করতে হতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।
এদিকে ঈদকে আনন্দময় করে তুলতে জান মাল রক্ষায় রাস্তাঘাটসহ মার্কেটগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের কাছে আগাম অনুরোধ জানিয়েছেন মার্কেট কর্তৃপক্ষসহ ক্রেতা-বিক্রেতারা।