ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
হুড়োহুড়িতে ৭ যাত্রী আহত

চাঁদপুরে লঞ্চে আগুন, আতঙ্কে নদীতে ঝাঁপ যাত্রীদের

চাঁদপুরের মাঝিরচরে ভোলা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কর্ণফুলী-৩ লঞ্চের ইঞ্জিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

Model Hospital

এ ঘটনায় আতঙ্কে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে যাত্রীরা। এ সময় হুড়োহুড়িতে ৭ যাত্রী আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষনিকভাবে লঞ্চটি চরে নোঙর করায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন সহস্রাধিক যাত্রী।

শনিবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কেউ নিখোঁজ হননি।

জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টায় ভোলার ইলিশাঘাট থেকে সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে কর্ণফুলী-৩ লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বেলা ১১টায় চাঁদপুরের হাইমচর এলাকায় পৌঁছালে লঞ্চটির ইঞ্জিনরুমে আগুন লেগে যায়। এ সময় মাঝ নদীতে থাকা লঞ্চের যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লঞ্চের মধ্যেই যাত্রীদের আহাজারি শুরু হয়।

এ সময় হুড়োহুড়ি করে লঞ্চ থেকে নামতে গিয়ে ৭ যাত্রী আহত হয়েছেন।

যাত্রীরা জানায়, তাৎক্ষণিক লঞ্চটিকে হাইমচর ও শরীয়তপুরের মধ্যবর্তী মাঝ নদীর মাঝিরচরে নোঙর করলে জীবন বাঁচাতে যাত্রীরা তাড়াহুড়া করে তীরে নেমে যায়। এর কিছুক্ষণ পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর শুনে একই কোম্পানির আরও ২টি লঞ্চ কর্ণফুলী-৪ ও কর্ণফুলী-১১ দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ওই দুটি লঞ্চে করে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ট্যাগস :

হুড়োহুড়িতে ৭ যাত্রী আহত

চাঁদপুরে লঞ্চে আগুন, আতঙ্কে নদীতে ঝাঁপ যাত্রীদের

আপডেট সময় : ০২:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

চাঁদপুরের মাঝিরচরে ভোলা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কর্ণফুলী-৩ লঞ্চের ইঞ্জিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

Model Hospital

এ ঘটনায় আতঙ্কে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে যাত্রীরা। এ সময় হুড়োহুড়িতে ৭ যাত্রী আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষনিকভাবে লঞ্চটি চরে নোঙর করায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন সহস্রাধিক যাত্রী।

শনিবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কেউ নিখোঁজ হননি।

জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টায় ভোলার ইলিশাঘাট থেকে সহস্রাধিক যাত্রী নিয়ে কর্ণফুলী-৩ লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বেলা ১১টায় চাঁদপুরের হাইমচর এলাকায় পৌঁছালে লঞ্চটির ইঞ্জিনরুমে আগুন লেগে যায়। এ সময় মাঝ নদীতে থাকা লঞ্চের যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লঞ্চের মধ্যেই যাত্রীদের আহাজারি শুরু হয়।

এ সময় হুড়োহুড়ি করে লঞ্চ থেকে নামতে গিয়ে ৭ যাত্রী আহত হয়েছেন।

যাত্রীরা জানায়, তাৎক্ষণিক লঞ্চটিকে হাইমচর ও শরীয়তপুরের মধ্যবর্তী মাঝ নদীর মাঝিরচরে নোঙর করলে জীবন বাঁচাতে যাত্রীরা তাড়াহুড়া করে তীরে নেমে যায়। এর কিছুক্ষণ পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর শুনে একই কোম্পানির আরও ২টি লঞ্চ কর্ণফুলী-৪ ও কর্ণফুলী-১১ দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ওই দুটি লঞ্চে করে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।