ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্যাংক কর্মকর্তার ভুলে লাখ টাকা পেয়েও ফেরত দিলেন মতলবের যুবক সোহাগ

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার অগ্রনী ব্যাংকের নারায়ণপুর বাজার শাখায় চেকের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা তুলতে যান যুবক সোহাগ প্রধান।
ব্যাংক তাকে দিয়ে দেয় ৪ লাখ টাকা। পথিমধ্যে গিয়ে টাকা গুনে বিষয়টি বুঝতে পেরে বাড়তি টাকা আবার ব্যাংকে গিয়ে ফেরত দেন তিনি।
এ ঘটনা রবিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরের। সততার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রশংসিত হচ্ছেন সোহাগ। অগ্রনী ব্যাংক নারায়ণপুর বাজার শাখার ব্যবস্থাপক গোপাল ভৌমিক প্রিয় চাঁদপুরকে ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নারায়ণপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিঞা মামুন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট করেন।
তিনি জানান, নারায়ণপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড চাপাতিয়া এলাকার আবু তাহের প্রধানীয়ার ছেলে সোহাগ প্রধানীয়া। সে এদিন ব্যাংকে গিয়ে ৩ লাখ টাকার চেক দেন। ক্যাশে থাকা এক কর্মকর্তা তার হাতে টাকা তুলে দেন। তাড়া থাকায় তিনি সেখানে টাকা না গুনে বাসায় চলে যেতে পথিমধ্যে টাকা গুনে দেখেন ৪ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। তিনি সেখান থেকেই আবার ব্যাংকে এসে ম্যানেজারকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং বাড়তি এক লাখ টাকা ফেরত দেন।
ব্যাংকের ওই শাখার ব্যবস্থাপক গোপাল ভৌমিক প্রিয় চাঁদপুরকে জানান, অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ক্যাশ কর্মকর্তার ভুলেই ৩ লাখ টাকার বদলে ৪ লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। এক লাখ টাকা ফেরত দিয়ে সোহাগ সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন।
উনি যদি টাকাটা ফেরত না দিতেন তাহলে আমরা দিনশেষে খুঁজে বের করা খুবই কস্ট হয়ে যেত। আসলে এমন মানুষ বর্তমানে পাওয়া খুবই মুসকিল।
ট্যাগস :

ব্যাংক কর্মকর্তার ভুলে লাখ টাকা পেয়েও ফেরত দিলেন মতলবের যুবক সোহাগ

আপডেট সময় : ০৯:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার অগ্রনী ব্যাংকের নারায়ণপুর বাজার শাখায় চেকের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা তুলতে যান যুবক সোহাগ প্রধান।
ব্যাংক তাকে দিয়ে দেয় ৪ লাখ টাকা। পথিমধ্যে গিয়ে টাকা গুনে বিষয়টি বুঝতে পেরে বাড়তি টাকা আবার ব্যাংকে গিয়ে ফেরত দেন তিনি।
এ ঘটনা রবিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরের। সততার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রশংসিত হচ্ছেন সোহাগ। অগ্রনী ব্যাংক নারায়ণপুর বাজার শাখার ব্যবস্থাপক গোপাল ভৌমিক প্রিয় চাঁদপুরকে ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নারায়ণপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিঞা মামুন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে বিষয়টি নিয়ে একটি পোস্ট করেন।
তিনি জানান, নারায়ণপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড চাপাতিয়া এলাকার আবু তাহের প্রধানীয়ার ছেলে সোহাগ প্রধানীয়া। সে এদিন ব্যাংকে গিয়ে ৩ লাখ টাকার চেক দেন। ক্যাশে থাকা এক কর্মকর্তা তার হাতে টাকা তুলে দেন। তাড়া থাকায় তিনি সেখানে টাকা না গুনে বাসায় চলে যেতে পথিমধ্যে টাকা গুনে দেখেন ৪ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। তিনি সেখান থেকেই আবার ব্যাংকে এসে ম্যানেজারকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং বাড়তি এক লাখ টাকা ফেরত দেন।
ব্যাংকের ওই শাখার ব্যবস্থাপক গোপাল ভৌমিক প্রিয় চাঁদপুরকে জানান, অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ক্যাশ কর্মকর্তার ভুলেই ৩ লাখ টাকার বদলে ৪ লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল। এক লাখ টাকা ফেরত দিয়ে সোহাগ সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন।
উনি যদি টাকাটা ফেরত না দিতেন তাহলে আমরা দিনশেষে খুঁজে বের করা খুবই কস্ট হয়ে যেত। আসলে এমন মানুষ বর্তমানে পাওয়া খুবই মুসকিল।