ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে মাকে খুনের ৬ ঘন্টা পর ঘাতক ছেলে আটক

  • এস এম ইকবাল
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪
  • 774

ফরিদগঞ্জে মাকে খুনের ৬ ঘন্টা পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে পৌর এলাকার কেরোয়া থেকে স্থানীয়রা ঘাতক ছেলে রাছেলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।

Model Hospital

এঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘুমন্ত মাকে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার পর রাছেলের ছবি ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ওই ছবি দেখে কেরোয়া এলাকার স্থানীয়রা ঘাতক ছেলে রাছেলকে চিনতে পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ কে খবর দেয়।

পরে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রুবেল ফরাজী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘাতক ছেলে রাছেলকে পুলিশী হেফাজতে নেন।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের খান বাড়িতে ছেলের হাতে নির্মমভাবে খুন হয় আপন গর্ভধারিনী মা।

খুন হওয়া রানু বেগম (৫৫) খান বাড়ির আতর খানের স্ত্রী। ঘাতক ছেলে রাছেল (২২) ঘটনার পর পালিয়ে যায়।

নিহতের স্বামী আতর খাঁন বলেন, আমার ৩ মেয়ে ও ২ ছেলের মধ্যে রাছেল সবার ছোট। গত কয়েকদিন যাবত তাকে বিয়ে করানোর জন্য আমাদেরকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সে আমাকেও গত কয়েকদিন পূর্বে মেরেছে। আমি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বাবুর্চির কাজ করি। আমার ছেলে রাছেল দুপুর ২ টা ৪৯ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে বলে তার মাকে কে যেন ঘরে জবাই করে রাখছে। তখন আমি নিশ্চিত হয়েছি, আমার স্ত্রী তার সন্তানের হাতেই খুন হয়েছে। ফোন কেটে সাথে সাথে আমি বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী রানু বেগমের মরদেহ বিচানায় পড়ে আছে। আমার ছেলে রাছেল পালিয়ে গেছে। পরে আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেয়।

যানা যায়, ঘাতক রাছেল গত কয়েক বছর পূর্বে ঢাকার একটি বাসায় দারোয়ানের চাকুরী করতো। তার মানসিক সমস্যা থাকায় তাকে ওই বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে সে গ্রামের বাড়িতে এসে থাকতো।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, হত্যার সংবাদ শুনে  ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত রানু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার শিকার রানু বেগমের স্বামী আতর খাঁন ও তার মেয়ে শাহিনের বক্তব্যনুযায়ী নিজের ছোট ছেলে রাছেল কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত রাছেলকে আটক করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গরু জবাই করার সময় হার্ট অ্যাটাকে মৃ’ত্যু

ফরিদগঞ্জে মাকে খুনের ৬ ঘন্টা পর ঘাতক ছেলে আটক

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪

ফরিদগঞ্জে মাকে খুনের ৬ ঘন্টা পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে পৌর এলাকার কেরোয়া থেকে স্থানীয়রা ঘাতক ছেলে রাছেলকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।

Model Hospital

এঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘুমন্ত মাকে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার পর রাছেলের ছবি ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। ওই ছবি দেখে কেরোয়া এলাকার স্থানীয়রা ঘাতক ছেলে রাছেলকে চিনতে পেরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ কে খবর দেয়।

পরে ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রুবেল ফরাজী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘাতক ছেলে রাছেলকে পুলিশী হেফাজতে নেন।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুর গ্রামের খান বাড়িতে ছেলের হাতে নির্মমভাবে খুন হয় আপন গর্ভধারিনী মা।

খুন হওয়া রানু বেগম (৫৫) খান বাড়ির আতর খানের স্ত্রী। ঘাতক ছেলে রাছেল (২২) ঘটনার পর পালিয়ে যায়।

নিহতের স্বামী আতর খাঁন বলেন, আমার ৩ মেয়ে ও ২ ছেলের মধ্যে রাছেল সবার ছোট। গত কয়েকদিন যাবত তাকে বিয়ে করানোর জন্য আমাদেরকে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সে আমাকেও গত কয়েকদিন পূর্বে মেরেছে। আমি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বাবুর্চির কাজ করি। আমার ছেলে রাছেল দুপুর ২ টা ৪৯ মিনিটে আমাকে ফোন দিয়ে বলে তার মাকে কে যেন ঘরে জবাই করে রাখছে। তখন আমি নিশ্চিত হয়েছি, আমার স্ত্রী তার সন্তানের হাতেই খুন হয়েছে। ফোন কেটে সাথে সাথে আমি বাড়িতে এসে দেখি আমার স্ত্রী রানু বেগমের মরদেহ বিচানায় পড়ে আছে। আমার ছেলে রাছেল পালিয়ে গেছে। পরে আমার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেয়।

যানা যায়, ঘাতক রাছেল গত কয়েক বছর পূর্বে ঢাকার একটি বাসায় দারোয়ানের চাকুরী করতো। তার মানসিক সমস্যা থাকায় তাকে ওই বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে সে গ্রামের বাড়িতে এসে থাকতো।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, হত্যার সংবাদ শুনে  ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত রানু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার শিকার রানু বেগমের স্বামী আতর খাঁন ও তার মেয়ে শাহিনের বক্তব্যনুযায়ী নিজের ছোট ছেলে রাছেল কর্তৃক হত্যার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত রাছেলকে আটক করা হয়েছে।