বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়েজ আহম্মেদ স্বপনের গণসংযোগ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪, ৭:৫৩ পিএম
কচুয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়েজ আহম্মেদ স্বপনের গণসংযোগ

বিএনপি বিহীন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কচুয়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নেতারাই পরস্পরের প্রতিদ¦ন্দ্বী। প্রার্থী হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতারা।

সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিল করে কচুয়ায় নির্বাচনের মাঠে গণসংযোগ করেছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়েজ আহম্মেদ স্বপন।

কচুয়াবাসীর কাছে গুতপুরের স্বপন ভাই হিসেবে তিনি পরিচিত। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বী করেছেন। কেন্দ্রেীয় আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই বছর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দলীয় কাউকে সমর্থন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সুবাদে কচুয়ার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর হওয়ার হিড়িক পড়ে গেছে।

মনোনয়নপত্র দাখিলের পরেই কচুয়ার জিরো পয়েন্টে (ডাকবাংলো) বিভিন্ন দোকান পাটের ব্যবসায়ী, অটোরিক্সচালাক, সিএনজি চালক ও জনসাধারনণের সাথে ভোট চেয়ে কৌশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা ফয়েজ আহম্মেদ স্বপন।

Model Hospital

গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের সাথে একপ্রতিক্রিয়ায় বলেন, আজকে আমি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি, আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন আশা করছি। গত নির্বাচনে কচুয়াবাসী আমাকে জয়যুক্ত করেছে।

কারচুপির মাধ্যেমে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে ১৭ কেন্দ্রে জয়লাভ করেছে তাকে ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। আমি ৮৫ কেন্দ্রে জয়লাভ করেও বিজয় চিনিয়ে আনতে পারিনি। সুক্ষ ষড়ষন্ত্রের মাধ্যমে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবারও আসছি আপনাদের মাঝে আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো, গত বছরের ন্যায় এবারোও আমার পাশে আপনারা থাকবেন। সেই আশা ও প্রত্যাশা আপনাদের প্রতি আমার রয়েছে।

আমি নির্বাচিত হলে কচুয়াকে মডেল স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো। এই কচুয়াকে মাদক মুক্ত ঘোষনা করবো যদি আপনারা পাশে থাকেন। আমার বিরুদ্ধে অনেকেই বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে, আমি নাকি নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়িয়েছি। এই গুজব ও বিভ্রান্তে কান দিবেন না। আমি মাঠে আছি মাঠে থাকবো আপনাদের পাশে থাকবো। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আগামী ২৯ মে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আপনাদের একটি করে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করে কচুয়াবাসীর সেবা করার সুযোগ করে দিবেন।

গণসংযোগ কালে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সামাদ, সদর দক্ষিন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি লিটন মুন্সী, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা কামাল, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাকির হোসেন প্রধান, যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সোহাগ, সাাবেক ইউপি সদস্য রাছেল মুন্সী অংশ নেয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital