ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নানা দাবিতে চাঁদপুর পবিস-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন

চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নানা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা (সরকার ঘোষিত গ্রেডিং ১-২০), ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫% বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিএ বোনাস সমহারে না দেওয়া, লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারী পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, লাইনক্রু লেভেল-১ ও মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার (চুক্তিভিত্তিক), বিলিং সহকারীর (কানামুনা) চাকুরী নিয়মিত না করা, স্মারকলিপিতে অংশগ্রহণ করায় ভোলা পবিস-এর এজিএম আইটি ও এজিএম অর্থকে সাময়িক বরখাস্ত, সিরাজগঞ্জ পবিস-২ এর ডিজিএম (কারিগরি) ও এজিএম আইটি-কে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে সংযুক্ত করাসহ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের শোষন, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ ও ভবিষ্যতে আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে অভিন্ন চাকুরীবিধি বাস্তবায়নের দাবিতে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রেখে চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাটস্থ রালদিয়া এলাকায় চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতি পালনকালে দাবি আদায় ও বৈষম্য নিরসনে মানববন্ধনে নানা শ্লোগান দেয় তারা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, আমাদের সাথে আরইবি’র অনেক বৈষম্য। বেতন বৈষম্য, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য, ৫% প্রনোদনা সরকার গত বছরের জুলাই মাসে দিলেও আমাদের দেয়া হয়েছে এ বছরের জানুয়ারি থেকে, ২০১৫ সালে সরকার ঘোষণা দিলেও আমাদেরকে শতভাগ পে-স্কেল দেয়া হয়নি। আরইবি এবং সমিতি দ্বৈতনীতি চলমান রেখে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের শোষন করছে।
তারা যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আমরা তা পাই না। আমরা তাদের কাছে চাইতে হয় তা না হলে তারা আমাদের কথা ভাবেও না।
আমাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। কিন্তু চুক্তির সাথে আমার কাজের কোন মিল নেই।
তারা আরো বলেন, আমাদের চাওয়া হচ্ছে অভিন্ন সার্ভিস কোড চালু করতে হবে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যা পল্লী বিদ্যুতের ইতিহাসে কোন সময় হয়নি। লাইন ক্রু লেভেল-১ চুক্তি ভিত্তিক। যে কাজে ঝুঁকি আছে, মৃত্যুবরণ করতে হয়, আহত হতে হয়, পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়; সে কাজে চুক্তি কিভাবে হয়।
জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান বলেন, আমরা বৈষম্যের শিকার। আরইবির সাথে আমাদের যে বৈষম্য তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা আন্দোলন করছি। আর আমাদের কিছু সহকর্মীর নিয়মিত করনের জন্য আমাদের এ আন্দোলন। বিভিন্ন সময় সরকারিভাবে আমাদের যে সুযোগ সুবিধা আসে আমরা তা পাই না। আমরা একই সার্ভিস কোডে চলার কথা।
কিন্তু তারা এক সার্ভিস করে চলে, আমাদেরটা আরেক সার্ভিস কোডে চলে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গরু জবাই করার সময় হার্ট অ্যাটাকে মৃ’ত্যু

নানা দাবিতে চাঁদপুর পবিস-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নানা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা (সরকার ঘোষিত গ্রেডিং ১-২০), ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫% বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিএ বোনাস সমহারে না দেওয়া, লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারী পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, লাইনক্রু লেভেল-১ ও মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার (চুক্তিভিত্তিক), বিলিং সহকারীর (কানামুনা) চাকুরী নিয়মিত না করা, স্মারকলিপিতে অংশগ্রহণ করায় ভোলা পবিস-এর এজিএম আইটি ও এজিএম অর্থকে সাময়িক বরখাস্ত, সিরাজগঞ্জ পবিস-২ এর ডিজিএম (কারিগরি) ও এজিএম আইটি-কে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে সংযুক্ত করাসহ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের শোষন, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ ও ভবিষ্যতে আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে অভিন্ন চাকুরীবিধি বাস্তবায়নের দাবিতে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রেখে চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাটস্থ রালদিয়া এলাকায় চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতি পালনকালে দাবি আদায় ও বৈষম্য নিরসনে মানববন্ধনে নানা শ্লোগান দেয় তারা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, আমাদের সাথে আরইবি’র অনেক বৈষম্য। বেতন বৈষম্য, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য, ৫% প্রনোদনা সরকার গত বছরের জুলাই মাসে দিলেও আমাদের দেয়া হয়েছে এ বছরের জানুয়ারি থেকে, ২০১৫ সালে সরকার ঘোষণা দিলেও আমাদেরকে শতভাগ পে-স্কেল দেয়া হয়নি। আরইবি এবং সমিতি দ্বৈতনীতি চলমান রেখে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের শোষন করছে।
তারা যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আমরা তা পাই না। আমরা তাদের কাছে চাইতে হয় তা না হলে তারা আমাদের কথা ভাবেও না।
আমাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। কিন্তু চুক্তির সাথে আমার কাজের কোন মিল নেই।
তারা আরো বলেন, আমাদের চাওয়া হচ্ছে অভিন্ন সার্ভিস কোড চালু করতে হবে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যা পল্লী বিদ্যুতের ইতিহাসে কোন সময় হয়নি। লাইন ক্রু লেভেল-১ চুক্তি ভিত্তিক। যে কাজে ঝুঁকি আছে, মৃত্যুবরণ করতে হয়, আহত হতে হয়, পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়; সে কাজে চুক্তি কিভাবে হয়।
জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান বলেন, আমরা বৈষম্যের শিকার। আরইবির সাথে আমাদের যে বৈষম্য তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা আন্দোলন করছি। আর আমাদের কিছু সহকর্মীর নিয়মিত করনের জন্য আমাদের এ আন্দোলন। বিভিন্ন সময় সরকারিভাবে আমাদের যে সুযোগ সুবিধা আসে আমরা তা পাই না। আমরা একই সার্ভিস কোডে চলার কথা।
কিন্তু তারা এক সার্ভিস করে চলে, আমাদেরটা আরেক সার্ভিস কোডে চলে।