শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

নানা দাবিতে চাঁদপুর পবিস-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন

মো. মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪, ১১:৩৩ পিএম
নানা দাবিতে চাঁদপুর পবিস-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নানা দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা (সরকার ঘোষিত গ্রেডিং ১-২০), ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫% বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিএ বোনাস সমহারে না দেওয়া, লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারী পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, লাইনক্রু লেভেল-১ ও মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার (চুক্তিভিত্তিক), বিলিং সহকারীর (কানামুনা) চাকুরী নিয়মিত না করা, স্মারকলিপিতে অংশগ্রহণ করায় ভোলা পবিস-এর এজিএম আইটি ও এজিএম অর্থকে সাময়িক বরখাস্ত, সিরাজগঞ্জ পবিস-২ এর ডিজিএম (কারিগরি) ও এজিএম আইটি-কে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে সংযুক্ত করাসহ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের শোষন, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ ও ভবিষ্যতে আধুনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে অভিন্ন চাকুরীবিধি বাস্তবায়নের দাবিতে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকালে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল রেখে চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাটস্থ রালদিয়া এলাকায় চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতি পালনকালে দাবি আদায় ও বৈষম্য নিরসনে মানববন্ধনে নানা শ্লোগান দেয় তারা।
আন্দোলনকারীরা বলেন, আমাদের সাথে আরইবি’র অনেক বৈষম্য। বেতন বৈষম্য, অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য, ৫% প্রনোদনা সরকার গত বছরের জুলাই মাসে দিলেও আমাদের দেয়া হয়েছে এ বছরের জানুয়ারি থেকে, ২০১৫ সালে সরকার ঘোষণা দিলেও আমাদেরকে শতভাগ পে-স্কেল দেয়া হয়নি। আরইবি এবং সমিতি দ্বৈতনীতি চলমান রেখে দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের শোষন করছে।
তারা যেসব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আমরা তা পাই না। আমরা তাদের কাছে চাইতে হয় তা না হলে তারা আমাদের কথা ভাবেও না।
আমাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। কিন্তু চুক্তির সাথে আমার কাজের কোন মিল নেই।
তারা আরো বলেন, আমাদের চাওয়া হচ্ছে অভিন্ন সার্ভিস কোড চালু করতে হবে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। যা পল্লী বিদ্যুতের ইতিহাসে কোন সময় হয়নি। লাইন ক্রু লেভেল-১ চুক্তি ভিত্তিক। যে কাজে ঝুঁকি আছে, মৃত্যুবরণ করতে হয়, আহত হতে হয়, পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়; সে কাজে চুক্তি কিভাবে হয়।
জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান বলেন, আমরা বৈষম্যের শিকার। আরইবির সাথে আমাদের যে বৈষম্য তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা আন্দোলন করছি। আর আমাদের কিছু সহকর্মীর নিয়মিত করনের জন্য আমাদের এ আন্দোলন। বিভিন্ন সময় সরকারিভাবে আমাদের যে সুযোগ সুবিধা আসে আমরা তা পাই না। আমরা একই সার্ভিস কোডে চলার কথা।
কিন্তু তারা এক সার্ভিস করে চলে, আমাদেরটা আরেক সার্ভিস কোডে চলে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital