বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আহত-২

ফকির বাজারে আল আরাফাহ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩০ যাত্রীসহ পুকুরে

সাইফুল ইসলাম সিফাত প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪, ৪:০৮ পিএম
ফকির বাজারে আল আরাফাহ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ৩০ যাত্রীসহ পুকুরে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে ঢাকাগামী আল আরাফাহ পরিবহন বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৩০ জন যাত্রী নিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে নিমজ্জিত হয়।

এতে ২৫ জন যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও কোন নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।

২৮ মে মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে হাজীগঞ্জ রামগঞ্জ সড়কের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ফকির বাজার বুড়ির বাড়ীর পুকুরে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে।

খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ ও রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের কর্মী এবং স্থানীয়রা মিলে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। এসময় অজ্ঞাত ৭ বছর বয়সি এক শিশু ও বৃদ্ধকে গুরুতর অবস্থায় হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

Model Hospital

পরবর্তীতে চাঁদপুর থেকে ডুবুরি দল এসে স্থানীয়দের পুকুর ও বাসটির আশপাশ এলাকায় ব্যপক অনুসন্ধান চালিয়ে আর কোন যাত্রীকে খোঁজে পায়নি।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাফস শীল, হাজীগঞ্জ ফরিদগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পংকজ কুমার দে সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

জানাযায় মঙ্গলবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আল আরাফাহ বাস ঢাকা মেট্রো-ব ১৫২০৯৭ গাড়ীটি ফকির বাজারের দক্ষিণে আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বুড়ির বাড়ীর পুকুরে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক বাসের ডানদিক দেবে গেলে বাম পাশ দিয়ে কিছু যাত্রী তড়িঘড়ি করে বের হয়। আবার ডান দিকের কয়েকজন যাত্রী গ্লাস ভেঙে পানিতে সাতার কেটে পাড়ে উঠে।

গুরুতর আহত কয়েকজন যাত্রীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। এসময় অনেক যাত্রীর মোবাইল ফোন, মানিব্যাগসহ মালামাল লুট হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

বাসের যাত্রীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, বাসটি দ্রুত গতিতে চলমান থাকায় সড়কের ভাঙ্গা স্থানে ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাসটি নিমজ্জিত হয়। তাছাড়া খানাখন্দে ভরা সড়কটিতে প্রতিনিয়তই মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য তুুহিন বেপারী, আল আমিন মেম্বার, ইউসুফ মিয়া বলেন, হাজীগঞ্জ রামগঞ্জ সড়কের চাঁদপুর অংশের সংস্কার না হওয়ায় দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারন করেছে। বিশেষ করে ফকির বাজারের দক্ষিণ পাশে এ বুড়ির বাড়ীর পুকুরের পশ্চিম পাশ সড়কটি প্রায় এক হাত তলিয়ে গেছে। যে কারনে এখানে প্রতিনিয়ত ছোট বড় যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে।
স্থানীয়রা চাঁদপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা তাফস শীল বলেন, আমি খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং আহত যাত্রীদের খোঁজ নেই। গাড়ীটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে কথা বলে এ স্থানটির সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছি।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ হাজীগঞ্জ সার্কেলের এসও হানিফ বলেন, সড়কটি ইতিমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়ে ওয়ার্ক পারমিট পেয়েছে। চলতি মাসে কাজ শুরু হচ্ছে। তার পরেও দুর্ঘটনার স্থানে সাময়িক চলাচলের লক্ষ্যে সংস্কার কাজ করে দেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital