ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেবে গেছে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধের ২০ মিটার

ঘূর্ণিঝড় রিমেলের প্রভাবে চাঁদপুরের পুরান বাজার হরিসভা মন্দির এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের অন্তত ২০ মিটার মেঘনা নদীতে দেবে গেছে।
দিনভর টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘনার উত্তাল ঢেউ সোমবার (২৭ মে) বিকেলে বাঁধে ভাঙন ধরে।
তাৎক্ষণিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজনকে বালিভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালাতে দেখা যায়।
পুরান বাজার মেঘনা নদীর তীর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দুপুরের পর থেকে ঢেউয়ের তীব্রতা বাড়তে থাকে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কয়েক ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে তীরে। পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে ভাঙন আতঙ্কে নদী তীরের অনেক লোকজন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা বলেন, বর্ষা আসলে প্রতি বছর নদীতে ভাঙন দেখা দেয়। ইতিমধ্যে অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। ভাঙন দেখা দিলে কর্মকর্তারা আসেন নদীতে বালির বস্তা ফেলতে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। যে পরিস্থিতি রাতে আমাদের বাড়িঘর টিকে কিনা আমরা খুব শঙ্কিত।
ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শনে আসা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় ২০ মিটারের মত শহর রক্ষা বাঁধ দেবে গেছে। এরপরে তিনি আর কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হয়নি।
এ ব্যাপারে মুঠোফোন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল হাসান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, পুরান বাজার শহর রক্ষা বাদে ভাঙনের খবর পেয়েছি। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছে।
ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আশা করি বড় ধরনের কোন সমস্যা হবে না।
জনপ্রিয় সংবাদ

গরু জবাই করার সময় হার্ট অ্যাটাকে মৃ’ত্যু

দেবে গেছে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধের ২০ মিটার

আপডেট সময় : ০৬:১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪
ঘূর্ণিঝড় রিমেলের প্রভাবে চাঁদপুরের পুরান বাজার হরিসভা মন্দির এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের অন্তত ২০ মিটার মেঘনা নদীতে দেবে গেছে।
দিনভর টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘনার উত্তাল ঢেউ সোমবার (২৭ মে) বিকেলে বাঁধে ভাঙন ধরে।
তাৎক্ষণিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজনকে বালিভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালাতে দেখা যায়।
পুরান বাজার মেঘনা নদীর তীর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দুপুরের পর থেকে ঢেউয়ের তীব্রতা বাড়তে থাকে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কয়েক ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে তীরে। পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে ভাঙন আতঙ্কে নদী তীরের অনেক লোকজন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা বলেন, বর্ষা আসলে প্রতি বছর নদীতে ভাঙন দেখা দেয়। ইতিমধ্যে অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। ভাঙন দেখা দিলে কর্মকর্তারা আসেন নদীতে বালির বস্তা ফেলতে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। যে পরিস্থিতি রাতে আমাদের বাড়িঘর টিকে কিনা আমরা খুব শঙ্কিত।
ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শনে আসা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় ২০ মিটারের মত শহর রক্ষা বাঁধ দেবে গেছে। এরপরে তিনি আর কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হয়নি।
এ ব্যাপারে মুঠোফোন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কামরুল হাসান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, পুরান বাজার শহর রক্ষা বাদে ভাঙনের খবর পেয়েছি। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছে।
ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আশা করি বড় ধরনের কোন সমস্যা হবে না।