ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পদ্মা মেঘনায় চোরাকারবারীরা সক্রিয়; চাঁদপুর পুরান বাজার গোডাউনে চোরাই মাল

নিজস্ব প্রতিনিধি : পদ্মা মেঘনা নদীতে চোরাকারবারীরা আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রাম থেকে লাইটার জাহাজ চাঁদপুর হয়ে যাওয়ার পথে নদীর মাঝখানে নোঙ্গর করে তেল ,গম, চিনি সয়াবিনের ভূসি সহ বিভিন্ন চোরাই মাল চোরাকারবারীরা ট্রলার নিয়ে গিয়ে চুরি করে নিয়ে আসে।

Model Hospital

কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ তৎপর থাকার পরেও চোরাকারবারীরা শীতের মৌসুমে চোরাই পথে মালামাল চুরি করে নিচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে চাঁদপুরের শেষ সীমানায় হায়দারগঞ্জ এলাকার মেঘনা নদীতে চট্টগ্রাম থেকে আসা বাংলার মান নামক লাইটার জাহাজ নোঙ্গর করে ৪০ টোন ৩০০ কেজি সোয়াবিন ভূষি(সোয়ামিন) চোরাকারবারীদের কাছে বিক্রি করে। চাঁদপুরের চিহ্নিত চোরাকারবারি জাহাঙ্গীর আলম মরু হাজী, পুরান বাজারের ফজল প্রধানীয়া, জাহিদ মাহমুদ ও জামতলার সেলিম ভূঁইয়া একত্রে হয়ে ৪০ টোন ৩০০ কেজি সোয়াবিন ভূষি(সোয়ামিন) স্টিল বডি ট্রলারে উঠিয়ে পাচার করে। সেই মালের মধ্যে ১১৩ বস্তা সোয়াবিনের ভুসি চাঁদপুর পুরান বাজার ৫ নং ঘাটে জাহিদ মাহমুদ তার ভাড়াটিয়া গোডাউন উঠিয়ে বোঝাই করে রাখে।

এই সংবাদ পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই রফিক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ৫ নং ঘাট জাহিদের গোডাউনে হানা দেয়। তারপরেই পুরানবাজার ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারি জাহিদ মাহমুদ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পুলিশ পাঁচ নাম্বার ঘাট অপেক্ষা করার পরে চলে আসে। চোরাকারবারি জাহিদ মাহমুদ , ফজল প্রধানীয়া জাহাঙ্গীর আলম মরু সুকৌশলে তার গোডাউন থেকে সোয়াবিনের ভূষি অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। পুলিশ প্রথমত চোরাই গম গোডাউনে উঠেছে এই সংবাদ পেয়ে আসলেও গোডাউনে নদীর চোরাই সোয়াবিনের ভুসি ছিল।

এভাবেই এসকল চোরাকারবারীরা নদী থেকে শত শত টন চোরাই মাল চুরি করে পাচার করছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে নদীপথে চোরাচালানী বন্ধ করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহরাস্তিতে নিজের পায়ুপথে ৬ ইঞ্চি ডাব প্রবেশ করিয়ে বিপাকে যুবক

পদ্মা মেঘনায় চোরাকারবারীরা সক্রিয়; চাঁদপুর পুরান বাজার গোডাউনে চোরাই মাল

আপডেট সময় : ০১:৫৭:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি : পদ্মা মেঘনা নদীতে চোরাকারবারীরা আবারো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রাম থেকে লাইটার জাহাজ চাঁদপুর হয়ে যাওয়ার পথে নদীর মাঝখানে নোঙ্গর করে তেল ,গম, চিনি সয়াবিনের ভূসি সহ বিভিন্ন চোরাই মাল চোরাকারবারীরা ট্রলার নিয়ে গিয়ে চুরি করে নিয়ে আসে।

Model Hospital

কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ তৎপর থাকার পরেও চোরাকারবারীরা শীতের মৌসুমে চোরাই পথে মালামাল চুরি করে নিচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে চাঁদপুরের শেষ সীমানায় হায়দারগঞ্জ এলাকার মেঘনা নদীতে চট্টগ্রাম থেকে আসা বাংলার মান নামক লাইটার জাহাজ নোঙ্গর করে ৪০ টোন ৩০০ কেজি সোয়াবিন ভূষি(সোয়ামিন) চোরাকারবারীদের কাছে বিক্রি করে। চাঁদপুরের চিহ্নিত চোরাকারবারি জাহাঙ্গীর আলম মরু হাজী, পুরান বাজারের ফজল প্রধানীয়া, জাহিদ মাহমুদ ও জামতলার সেলিম ভূঁইয়া একত্রে হয়ে ৪০ টোন ৩০০ কেজি সোয়াবিন ভূষি(সোয়ামিন) স্টিল বডি ট্রলারে উঠিয়ে পাচার করে। সেই মালের মধ্যে ১১৩ বস্তা সোয়াবিনের ভুসি চাঁদপুর পুরান বাজার ৫ নং ঘাটে জাহিদ মাহমুদ তার ভাড়াটিয়া গোডাউন উঠিয়ে বোঝাই করে রাখে।

এই সংবাদ পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার এসআই রফিক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ৫ নং ঘাট জাহিদের গোডাউনে হানা দেয়। তারপরেই পুরানবাজার ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারি জাহিদ মাহমুদ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পুলিশ পাঁচ নাম্বার ঘাট অপেক্ষা করার পরে চলে আসে। চোরাকারবারি জাহিদ মাহমুদ , ফজল প্রধানীয়া জাহাঙ্গীর আলম মরু সুকৌশলে তার গোডাউন থেকে সোয়াবিনের ভূষি অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। পুলিশ প্রথমত চোরাই গম গোডাউনে উঠেছে এই সংবাদ পেয়ে আসলেও গোডাউনে নদীর চোরাই সোয়াবিনের ভুসি ছিল।

এভাবেই এসকল চোরাকারবারীরা নদী থেকে শত শত টন চোরাই মাল চুরি করে পাচার করছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে নদীপথে চোরাচালানী বন্ধ করা সম্ভব হবে।