ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গণটিকার ১ম ডোজ; মতলব উত্তরে লক্ষ্যমাত্রা ১৩৫০০, প্রয়োগ ২৯৬২৫

মতলব উত্তর ব্যুরো : দেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলছে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম।

Model Hospital

২৬ ফেব্রুয়ারি দেশের এক কোটি মানুষকে প্রথম ডোজ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শুরু হয় গণটিকা কার্যক্রম। এরপরে সীমিত পরিসরে প্রয়োজন বিবেচনায় কিছু কেন্দ্রে প্রথম ডোজ দেওয়া হলেও কার্যত ২৬ ফেব্রুয়ারিই শেষবারের মতো প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনে ভ্যাকসিন নিতে কোনো ধরনের নিবন্ধন করতে হবে না। এমনকি যারা নিবন্ধন করেও ভ্যাকসিন পাননি, তারাও ক্যাম্পেইনে নিতে পারবে ভ্যাকসিন।

এরই আওতায় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১টি পৌরসভার ও ১৪টি ইউনিয়নের ১৩ হাজার ৫শ’ জনকে টিকার ১ম ডোজ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু উপজেলার ৪৫টি টিকা কেন্দ্রের মাধ্যমে গতকাল ২৬ ফেব্রয়ারি শনিবার পর্যন্ত ২৯ হাজার ৬২৬জনকে ১ম ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। আজ (রবিবার) আরো ৫ হাজার জনকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১২ হাজার ৪১১জন, ২৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ২হাজার ২১৪ জনকে টিকা প্রদান করা হয়। গতকাল শরিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ১৫ হাজার জনকে টিকা প্রদান করা হয়। আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) আরো ৫ হাজার জনকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে ।

শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মতলব উত্তর উপজেলার ৪৫টি কেরন্দ্র একযোগে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম চলমান হয়েছে। মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সারাদেশের ন্যায় মতলব উত্তর উপজেলায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম চলমান থাকবে। সাধারণত টিকাদান ৩টা পর্যন্ত চললেও আজকে এই কর্মসূচি লক্ষ্যপূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসান বলেন, ক্যাম্পেইনে জন্মনিবন্ধন বা কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগবে না ভ্যাকসিন নিতে। সেখানে মোবাইল নম্বর দিয়েই ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে। মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে তাদের তথ্য নথিভুক্ত করে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তাদের একটি করে কার্ড দেওয়া হবে। সেটিই হবে তার ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যেই যাদের নিবন্ধন আছে তারাও প্রয়োজনে ভ্যাকসিন কার্ড নিয়ে আসতে পারেন। ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি নিয়মিত ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্রগুলোতে কার্যক্রম চলবে।

শনিবার মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায় ভ্যাকসিন নিতে আসা মানুষের ভিড়। উপজেলার বিভিন্ন টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাব চাঁদপুরের আয়োজনে বাজার পরিস্থিতি ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক মত বিনিময় সভা

গণটিকার ১ম ডোজ; মতলব উত্তরে লক্ষ্যমাত্রা ১৩৫০০, প্রয়োগ ২৯৬২৫

আপডেট সময় : ০৪:৪২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

মতলব উত্তর ব্যুরো : দেশে নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলছে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম।

Model Hospital

২৬ ফেব্রুয়ারি দেশের এক কোটি মানুষকে প্রথম ডোজ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শুরু হয় গণটিকা কার্যক্রম। এরপরে সীমিত পরিসরে প্রয়োজন বিবেচনায় কিছু কেন্দ্রে প্রথম ডোজ দেওয়া হলেও কার্যত ২৬ ফেব্রুয়ারিই শেষবারের মতো প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনে ভ্যাকসিন নিতে কোনো ধরনের নিবন্ধন করতে হবে না। এমনকি যারা নিবন্ধন করেও ভ্যাকসিন পাননি, তারাও ক্যাম্পেইনে নিতে পারবে ভ্যাকসিন।

এরই আওতায় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ১টি পৌরসভার ও ১৪টি ইউনিয়নের ১৩ হাজার ৫শ’ জনকে টিকার ১ম ডোজ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু উপজেলার ৪৫টি টিকা কেন্দ্রের মাধ্যমে গতকাল ২৬ ফেব্রয়ারি শনিবার পর্যন্ত ২৯ হাজার ৬২৬জনকে ১ম ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। আজ (রবিবার) আরো ৫ হাজার জনকে টিকার প্রথম ডোজ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১২ হাজার ৪১১জন, ২৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলে ২হাজার ২১৪ জনকে টিকা প্রদান করা হয়। গতকাল শরিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ১৫ হাজার জনকে টিকা প্রদান করা হয়। আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) আরো ৫ হাজার জনকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে ।

শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মতলব উত্তর উপজেলার ৪৫টি কেরন্দ্র একযোগে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম চলমান হয়েছে। মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সারাদেশের ন্যায় মতলব উত্তর উপজেলায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম চলমান থাকবে। সাধারণত টিকাদান ৩টা পর্যন্ত চললেও আজকে এই কর্মসূচি লক্ষ্যপূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসান বলেন, ক্যাম্পেইনে জন্মনিবন্ধন বা কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগবে না ভ্যাকসিন নিতে। সেখানে মোবাইল নম্বর দিয়েই ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে। মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে তাদের তথ্য নথিভুক্ত করে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তাদের একটি করে কার্ড দেওয়া হবে। সেটিই হবে তার ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যেই যাদের নিবন্ধন আছে তারাও প্রয়োজনে ভ্যাকসিন কার্ড নিয়ে আসতে পারেন। ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি নিয়মিত ভ্যাকসিনেশন কেন্দ্রগুলোতে কার্যক্রম চলবে।

শনিবার মতলব উত্তর উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায় ভ্যাকসিন নিতে আসা মানুষের ভিড়। উপজেলার বিভিন্ন টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল।