শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

মেধা, নীতি ও নেতৃত্বের সমন্বয়

মোঃ বিল্লাল হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম
মেধা, নীতি ও নেতৃত্বের সমন্বয়

ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তঃসংযুক্ত এই বিশ্বে একটি জাতির শক্তি শুধু তার প্রাকৃতিক সম্পদ বা অর্থনৈতিক সূচকের উপর নির্ভর করে না; বরং নির্ভর করে সেই জাতি তার জনগণের মেধা কতটা কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে তার উপর। মেধা যদি সঠিক দিকনির্দেশনা না পায়, তবে তা অপচয় হয়ে যায়; আবার দূরদর্শী নেতৃত্বের অভাবে উন্নয়নের গতি থমকে দাঁড়ায়। তাই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের জন্য মেধা ও নেতৃত্বের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন অপরিহার্য।

এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে মাহদী আমিন এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। চাঁদপুরের মাটি থেকে উঠে আসা এই তরুণ তার মেধা, শিক্ষা ও দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে নিজেকে আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ তাঁর চিন্তাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রসারিত করেছে এবং নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে তাকে একটি শক্ত ভিত্তি প্রদান করেছে। তিনি প্রমাণ করেছেন, বৈশ্বিক জ্ঞান অর্জন করে তা নিজ দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোই একজন সত্যিকারের মেধাবীর পরিচয়।

রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর অগ্রযাত্রা সুপরিকল্পিত ও তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি নীতিনির্ধারণী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির স্পেশাল অ্যাসিসট্যান্ট এবং তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও কৌশলগত বিষয়গুলোতে কাজ করেছেন। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, যা তাঁর বহুমাত্রিক দক্ষতার প্রতিফলন।

একটি আধুনিক রাষ্ট্রের জন্য শিক্ষা একটি মৌলিক ভিত্তি। শিক্ষার মান উন্নয়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। মাহদী আমিন এই খাতে কাজ করে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি এমন একটি শিক্ষা কাঠামোর কথা বলেন, যেখানে শিক্ষার্থীরা কেবল পরীক্ষার ফলাফলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাস্তব জীবনের দক্ষতা অর্জন করবে। এই দৃষ্টিভঙ্গি একটি দক্ষ ও উৎপাদনশীল জনশক্তি গঠনে সহায়ক।

Model Hospital

অন্যদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এই খাতে সঠিক নীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরও সুসংগঠিত করা সম্ভব। মাহদী আমিন এই খাতে আধুনিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছেন, যা প্রবাসী নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।

শ্রম ও কর্মসংস্থান খাত একটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা একটি উন্নত রাষ্ট্রের অপরিহার্য শর্ত। মাহদী আমিন এই খাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে একটি টেকসই শ্রমনীতি গঠনের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে মাহদী আমিনের সম্পৃক্ততা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শিক্ষা, যুব উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচির সঙ্গে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি সুদূরপ্রসারী চিন্তার পরিচয় দেয়। তিনি কেবল বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে কাজ করছেন না; বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কাঠামো নির্মাণের দিকেও মনোযোগ দিচ্ছেন। এ কারণেই তাঁকে ভবিষ্যতের একজন সম্ভাবনাময় নীতিনির্ধারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উপস্থাপনা ও যোগাযোগ দক্ষতা। মিডিয়ার সামনে তাঁর বক্তব্য সবসময় সুসংগঠিত, মার্জিত এবং প্রাঞ্জল। জটিল বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন করার ক্ষমতা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছেও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। ব্রিফিং এর সময় তাঁর শব্দচয়ন এবং প্রকাশভঙ্গি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। একটি কার্যকর প্রশাসনের জন্য এই গুণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নীতি ও জনগণের মধ্যে একটি বিশ্বাসযোগ্য সংযোগ তৈরি করে।

মাহদী আমিনের মতো মেধাবী তরুণদের রাষ্ট্রীয় কাজে সম্পৃক্ত করা একটি কৌশলগত বিনিয়োগ। তাঁদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশাসনিক কাঠামোতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে। এর ফলে উন্নয়নের গতি যেমন বাড়ে, তেমনি তা আরও টেকসই ও সুসংগঠিত হয়।

এক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকাও অনস্বীকার্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বাস্তবতা ও সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিয়ে মাহদী আমিনের মতো দক্ষ ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত করেছেন, যা একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্তের প্রতিফলন। সঠিক মানুষকে সঠিক স্থানে দায়িত্ব দেওয়া একটি জাতির অগ্রগতির অন্যতম শর্ত, এবং এই ক্ষেত্রে তা সফলভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

সবশেষে বলা যায়, মাহদী আমিন একটি উদীয়মান নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি, যেখানে মেধা, নীতি ও দায়িত্ববোধের সমন্বয় ঘটেছে। তাঁর কাজ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রমাণ করে যে, একটি জাতির টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব এবং মেধার যথাযথ ব্যবহার। এই সমন্বয়ই বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

লেখক: 
প্রাক্তন অধ্যক্ষ
আইডিয়াল কমার্স কলেজ, ঢাকা।
এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, চাঁদপুর

শাহতলীতে মাদকবিরোধী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সমাপনী অনুষ্ঠিত

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন চলবে : চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন চলবে : চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী

শাহতলীতে শহীদ জিয়ার স্মরণে মাদকবিরোধী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সমাপনী খেলায় চ্যাম্পিয়ান মান্দারী স্পোটিং ক্লাব দলকে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীসহ অতিথিবৃন্দ।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে শাহতলী এক্সপ্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মাদক বিরোধী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) বিকেল ৪টায় শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজ মাঠে মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী খেলার উদ্বোধন করেন চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও জিলানী চিশতী কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি সোহেল রুশদী।

পরে বিকাল ৫টায় জিলানী চিশতী কলেজ মিলনায়তনে ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো: মোশারফ কারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও জিলানী চিশতী কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি সোহেল রুশদী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রেসক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা যায়। তরুণদের খেলাধুলা প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরতে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন চলবে। কেউ আইন হাতে নিবেন না, কোন মাদক ব্যবসায়ীকে দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তুলে দিবেন।

Model Hospital

তিনি বলেন, যুবসমাজকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মাদকের ক্ষতিকর আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। যুবসমাজের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে হবে। যুব সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে হবে। যুবকরাই আগামীর বাংলাদেশ বির্ণিমানেে কারিগড়। যুবসমাজ খেলায় ব্যস্ত থাকলে, মাদকের অন্ধকার জগৎ থেকে দূরে থাকবে। সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে খেলার বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে তরুণেরা মাদকের পথ এড়িয়ে, দেশের ইতিবাচক ও গঠনমূলক নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে। খেলাধুলা তরুণদের অলস সময়কে ইতিবাচকভাবে পূরণ করে, ফলে মাদক গ্রহণ বা অপরাধমূলক কাজে জড়ানোর সুযোগ কমে যায়।

প্রেসক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক সাহেব মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন। তিনি চাঁদপুরকে মাদকমুক্ত করতে কাজ করছেন৷ কিশোর গ্যাং এবং ভূমি দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। চাঁদপুরের উন্নয়নে মানিক ভাই কাজ করছেন।

৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর মিজির পরিচালনায় বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এস এম বাকের খন্দকার, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদ, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজি, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম (বাবলু)।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদ, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল আজিজ মিজি, ৬নং মৈশাদী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো: মাহবুব খান বাবলু, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম বেপারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মজিব কারী, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন তাতীদলের সাবেক সভাপতি শাহাদাত গাজী, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো: শওকত কারী, ইউনিয়ন মৎস্যজীবি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ গাজী, ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মো: সফিক কারী, সমাজসেবক মো: নুরুজ্জামান মুন্সি, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রিপন মিজি, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠিনক সম্পাদক পারভেজ মিজি, সমাজসেবক ও শাহতলী বাজারের ব্যবসায়ী মো: আনোয়ার গাজী, বালু ব্যবসায়ী মো: জাহাঙ্গীর মিজিসহ ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, সুধীজন, দর্শকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দগণকে ক্রেস্ট প্রদান করেন শাহতলী এক্সপ্রেস সংগঠনের নেতৃবৃন্দ৷

শহীদ জিয়ার স্মরণে মাদকবিরোধী মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ সর্বমোট ৩২টি দল অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে ফাইনাল খেলায় মান্দারী স্পোটিং ক্লাব দল ও এসকে স্পোটিং ক্লাব দল অংশগ্রহন করে। ফাইনালে ০-১গোলে চ্যাম্পিয়ান হয় মান্দারী স্পোটিং ক্লাব এবং রানার্সআপ হয় এসকে স্পোটিং ক্লাব। খেলায় চ্যাম্পিয়ান মান্দারী স্পোটিং ক্লাব দল ও রানার্সআপ এসকে স্পোটিং ক্লাব দলকে পুরস্কার ও খেলোয়ারদের মেডেল প্রদান করেন প্রধান অতিথি চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীসহ অতিথিবৃন্দ।

শেষে সভাপতির বক্তব্য রাখেন ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো: মোশারফ কারী।