বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে গ্রাম অঞ্চলে ফেরি করে জাটকা বিক্রি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ মার্চ, ২০২২, ১:০১ পিএম
চাঁদপুরে গ্রাম অঞ্চলে ফেরি করে জাটকা বিক্রি

সজীব খান : মার্চ এপ্রিল দুই মাস জাটকা সংরক্ষণের অভিযান চলমান রয়েছে। এ দুই মান নদীতে মাছ নিধনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

সরকার জেলেদের বিকল্প আয়ের জন্য সেলাই মেশিন, মাসে ৪০ কেজি করে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করছে। কিন্তু এরপর ও চাঁদপুরের কিছু অসাধূ জেলে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে জাটকা নিধন ও বিক্রি করছে। জাটকা সংরক্ষণের অভিযান বাস্তবায়নের জন্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের নের্তৃত্বে জেলা পুলিশ, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ. কোস্টগার্ড কঠোব ভাবে অভিযান পারচালনা করা হচ্ছে। দিনরাত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। এরপর ও নদীতে জাটকা নিধন চলছে। আর সে জাটকা বিভিন্ন মাধ্যমে চাঁদপুরের গ্রাম অঞ্চলে ভ্রাম্যমান ভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রথমে মাছ আছে বলে তারা ডাক দেন, ক্রেতা আসলে জাটকা দেখিয়ে ক্রেতাদের লোভে পেলিয়ে জাটকা বিক্রি করে দ্রুত অবস্থান ত্যাগ করেন।

জাটকা রক্ষার্থে সরকার দুই মাস নদীতে ইলিশসহ সকল প্রকার মাছ নিধন বন্ধের নিষেধাজ্ঞা করলে ও চাঁদপুরে কিছু কিছু স্থানে রানীতিক কিছু অসাধু ব্যাক্তির ছত্রছায়া জাটকা ইলিশ নিধন অব্যাহত রয়েছে। তারা বিভিন্ন সোসের মাধ্যমে দিনের ও রাতের বিভিন্ন সময়ে নদীতে জাটকা ইলিশ বিক্রি করছে । কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে থেতে থেমে সোসের মাধ্যমে গ্রামের সরু পথে অব্যবহারযোগী রুট ব্যবহার করে জাটকা বিক্রি করছে।

বুধবার সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে জাটকা বিক্রি করতে দেখা গেছে। দুপুরে ভ্যানে করে উপরে অল্প কয়েকটা অন্য মাছ রেখে ভেতরে জাটকা রেখে নতুন কৌশল অবলম্বন করে জাটকা বিক্রি করতে দেখা গেছে। এত কঠোর আইনি ব্যবস্থার পর ও জেলেরা কিভাবে নদীতে জাটকা ইলিশ ধরছে।

Model Hospital

এমন নানাহ প্রশ্ন মানুষের মাছে ঘুরপাক খাচ্ছে। ইলিশ যেখানে আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ, তা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের রয়েছে, সেখানে কিভাবে জাটকা নিধন করে রাষ্ট্রের ক্ষতি করছে। চাঁদপুর জেলা প্রশাসন এ বছর জাটকা সংরক্ষণের জন্য ভাবে মাঠে কাজ করছে, তা সর্বস্তরে প্রশংসা রয়েছে। এরপর ও কিছু অমানুষ জাটকা নিধন করে মা ইলিশ উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। এদেরকে সবাই সনাক্ত করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষ দাবি জানিয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।