বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর কোস্টগার্ডের জব্দকৃত জেলি মিশ্রিত চিংড়ি বাজারে বিক্রির অভিযোগ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০২২, ৫:৫৭ পিএম
চাঁদপুর কোস্টগার্ডের জব্দকৃত জেলি মিশ্রিত চিংড়ি বাজারে বিক্রির অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৩ নং হানার্চর ইউনিয়নের হরিনা চৌরাস্তা থেকে চারটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করে ৯৬টি ককশিট বোঝাই জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ জব্দ করেছে কোস্টগার্ড।

জব্দকৃত চিংড়ি মাছ গুলো কোস্টগার্ড স্টেশনে নেওয়ার পর কিছু সংখ্যক মাছ সোর্সদের দিয়েছে কোস্টগার্ড।
বুধবার সকালে কোস্টগার্ডের সোর্সরা সেই মাছগুলো বড় স্টেশন মাছ ঘাট ও বহরিয়া আড়ৎ নিয়ে বিক্রি করেছে।
সেই সংবাদ জানতে পেরে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য অনুসন্ধান করে এর সত্যতা প্রমাণ পান।

বড় স্টেশনের মাছ ঘাটের জনৈক মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, কোস্টগার্ড নদীতে ও উপরে অভিযান চালিয়ে যেসকল মাছগুলো ধরে কিছু সংখ্যক মাছ তাদের সোর্সদের দিয়ে থাকে। আর সেই মাছগুলো কোস্টগার্ডের সোর্সদের কাছ থেকে নিয়ে বিক্রি করা হয়।

এদিকে বিষাক্ত জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ কোস্টগার্ড আটক করে সেই মাছ আবার সোর্সদের দেওয়ার পর বাজারে বিক্রি হওয়ার ঘটনায় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই নিষিদ্ধ ঘোষিত ভেজাল জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ খেলে মানবদেহে বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোস্টগার্ডের সদস্যরা হানারচর হরিনা চৌরাস্তা থেকে যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি মাছ জব্দ করার পর সেখান থেকে ২টি ককসিড স্থানীয় দুই যুবক নিয়ে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক ঘটনাটি জেনে তাদের পিছু নিয়ে একটি ককশিট বোঝাই চিংড়ি মাছ জব্দ করলে বাকিটি নিয়ে উধাও হয়ে যায়।

Model Hospital

এ বিষয়ে চাঁদপুর কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার জানান, কোস্টগার্ড জব্দকৃত কোন মাছ বিক্রি করার সুযোগ নেই এছাড়া সোর্সদের দেওয়ার নিয়ম নেই। তবে অভিযানের সময় পূর্ব টের পেয়ে বাস থেকে চিংড়ি মাছ গুলো নামিয়ে ফেলে। সেই চিংড়ি মাছ অনেকে নিয়ে বিক্রি করেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।