বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাটবাজারে অবাধে ডিমওয়ালা মাছ বিক্রি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ২:২৭ পিএম
হাটবাজারে অবাধে ডিমওয়ালা মাছ বিক্রি

নিজস্ব প্রতিনিধি : মতলব উত্তরে হাটবাজারে এখন দেদারসে বিক্রি হচ্ছে প্রাকৃতিক জলাশয়ের টেংরা, কৈ, শিং, মাগুর, পুঁটি, চিকরা, চেলা, মলাসহ নানা প্রজাতির ডিমওয়ালা মাছ। ক্রেতাদেরও এসব মাছের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ থাকে। এসব মাছের দামও থাকে বেশি। অন্তত কেজিতে দু’শ থেকে তিনশ’ টাকা বেশি।

উপজেলা শহরের ছেংগারচর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মাছ বিক্রেতারা তাদের ডালিতে ডিমওয়ালা মাছ সাজিয়ে রেখেছেন। ক্রেতারাও দরদাম করছেন। এক ব্যবসায়ীর দোকানে দেখা গেছে লোভনীয় সাইজের টেংরা মাছ। সবগুলো মাছই জ্যন্ত। অন্তত ৮০ ভাগ মাছেরই পেট ভর্তি ডিম। অন্য সময় এসব টেংরা ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয়। কিন্তু বিক্রেতা এসব ডিমওয়ালা টেংরার দাম চাচ্ছেন এক হাজার টাকা কেজি। বর্ষার নতুন পানির এ মাছগুলো নদী অঞ্চল থেকে আনা হয়েছে বলে বিক্রেতা জানালেন।

এমনিতেই মতলব উত্তরে মিঠা পানির প্রাকৃতিক জলাশয় দিন দিন কমে যাচ্ছে। রাস্তাঘাট হচ্ছে, আবাসন হচ্ছে। আবার যেসব প্রাকৃতিক জলাশয়ে একসময় ১২ মাস পানি থাকতো, এখন জলবায়ু পরিবর্তন এবং পলি পড়ার কারণে এরকম বহু জলাশয়ে বছরের একটি বড় সময় পানি থাকে না। যে কারণে স্থানীয় জাতের বহু মাছের আবাসস্থল কমেছে, উৎপাদনও কমেছে। বহু মাছের প্রজাতি অস্তিত্বের হুমকিতে রয়েছে। আবার বহু প্রজাতি ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এখন প্রোটিনের চাহিদা পূরণের জন্য প্রধানত নির্ভর করতে হচ্ছে কৃত্রিম চাষাবাদের ওপর। যদিও চাষাবাদের মাছের উৎপাদন এখন প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের চেয়ে অনেক বেশি। প্রাকৃতিক জলাশয়ে প্রাকৃতিক নিয়মেই মাছের প্রজনন হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মানুষের তেমন ভূমিকা নেই, পরিশ্রমও নেই।

কিন্তু কৃত্রিম চাষাবাদের ক্ষেত্রে হ্যাচারি স্থাপন করে মাতৃ মাছের ডিম বের করে পুরুষ মাছের সাহায্য নিয়ে যান্ত্রিক উপায়ে মাছের পোনা উৎপাদন করা হয়। সেগুলিও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হয়ে থাকে। এক শ্রেণীর মধ্যবর্তী পোনা ব্যবসায়ী হ্যাচারি মালিকদের কাছ থেকে পোনা কিনে নিয়ে পুকুর মালিকদের কাছে বিক্রি করে থাকেন। তবে কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত মাছের স্বাদ প্রাকৃতিক জলাশয়ের মাছের মত হয় না। এক সময় হ্যাচারিতে কেবল পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া আর কার্প জাতীয় মাছের পোনা উৎপাদিত হতো। এখন পাবদা, শিং, মাগুর, কৈ, টেংরা, গোলসা, টাকি, মেনিসহ নানা জাতের ছোট প্রজাতির মাছেরও পোনা উৎপাদিত হচ্ছে। এসব পোনা ফিশারিতে বা পুকুরে অবমুক্ত করে খাবার উপযোগী করা হচ্ছে। এসব ছোট প্রজাতির মাছ এখন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে আবাদ হচ্ছে। বাজারে এখন এসব চাষ করা মাছেরই দাপট চলছে।

Model Hospital

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোয়ারা বেগমকে ডিমওয়ালা মাছ শিকার ও বাজারে বিক্রির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে জানান, সরকার ইলিশের ডিম পারার মৌসুমের মত মিঠা পানির প্রাকৃতিক জলাশয়ের ক্ষেত্রেও ডিমওয়ালা মাছের মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা দরকার। প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের প্রজনন অনেক বেড়ে যেতে পারে। তবে আমাদের পক্ষ থেকে ডিমওয়ালা মাছ রক্ষার জন্য প্রচারণা করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।