মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

দৈনিক চাঁদপুর সময়-এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২, ৩:৪২ পিএম
দৈনিক চাঁদপুর সময়-এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইমতিয়াজ হোসেন বলেছেন, দৈনিক চাঁদপুর সময় সাফল্যের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পণ করেছেন। আজকের এই দিনে পত্রিকাটির সাথে সম্পৃক্ত সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। দেশ ও জাতির কল্যাণে সংবাদ পরিবেশন করাই সাংবাদিকদের দায়িত্ব। আমরা আশা করবো দৈনিক চাঁদপুর সময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে সংবাদ পরিবেশন করবে। পাশাপাশি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে লেখনির মাধ্যমে ভূমিকা রাখবে।

১৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ‘দৈনিক চাঁদপুর সময়’ ১০ বছরে পদার্পণ ও ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক কেক কাটার পর শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে দৈনিক চাঁদপুর সময় পত্রিকার স্বত্বাধিকারী ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুয়েল বলেন, ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর দৈনিক চাঁদপুর সময় পত্রিকার পথচলা শুরু। সাফল্য এবং গৌরবের সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পত্রিকাটি আজ ১০ বর্ষে পদার্পণ করেছে। বর্তমানে চাঁদপুরের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চাঁদপুর টাইমস ও দৈনিক চাঁদপুর সময় এক পরিবার হয়েছে। আমরা সব সময় চেষ্টা করি তথ্য নির্ভর ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড এবং সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সময় পত্রিকার প্রকাশক মো. এরশাদ খান, প্রধান সম্পাদক এম ফরিদুল ইসলাম উকিল, উপ সম্পাদক আবদুল গনি, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক আশিক বিন রহিম, বিশেষ প্রতিনিধি এস আর শাহ আলম, ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি মো. জসিম উদ্দীন, হাইমচর প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর, হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি মো. হুমায়ুন কবির, মতলব উত্তর প্রতিনিধি সফিকুর রহমান রানা, পৌর প্রতিনিধি মো. বাদশা ভুইয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক মো. মনির হোসেন প্রমুখ।

Model Hospital

অপরদিকে গতকাল সকাল ১১ টার সময় চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত চাঁদপুর সময় পত্রিকার ১০ বছরে পদার্পণ ও ৯ম বর্ষপূর্তি উদ্যাপনে দিনব্যাপী কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) সুদীপ্ত রায়।

এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দৈনিক চাঁদপুর সময় এ জেলার অন্যতম স্বনামধন্য এবং জনপ্রিয় পত্রিকা। যেখানে সময়ের সাথে সাথে বস্তুনিষ্ঠ এবং তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশ করা হয়। আজকে পত্রিকাটি ১০ম বর্ষে পর্দাপণ করেছে। আমরা আশা করবো অতীতের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে আগামী দিনগুলোতে দৈনিক চাঁদপুর সময় সত্য-সুন্দর এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবে। যা সমাজ তথা দেশ ও জনতার মঙ্গল বয়ে আনবে।

সুদীপ্ত রায় আরো বলেন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনের সাথে একটি সুদীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা যেসব বিষয় নিয়ে কাজ করি, সেসব বিষয় নিয়ে মাঠপর্যায় থেকে আপনারা তথ্য-নিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে সংবাদ মাধ্যমের তথ্য আমাদের কাজে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাই আমরা আশা করবো, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আপনাদের লেখনির মাধ্যমে আরো বেশি বাস্তব ঘটনাবহুল তথ্য যেন উঠে আছে। যার মাধ্যমে সমাজ, রাষ্ট্র তথা মানুষ উপকৃত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, দৈনিক চাঁদপুর সময় পত্রিকার স্বত্ত্বাধিকারী ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুয়েল। তিনি তার বক্তব্যে চাঁদপুর সময় পত্রিকার সুদীর্ঘ পথচলা ও সমাজ বিনির্মাণে সংবাদপত্রের করণীয় সম্পর্কে তুলে ধরেন।

এরপর দিনব্যাপী কর্মসূচীর দ্বিতীয় পর্বে দৈনিক চাঁদপুর সময় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত প্রতিনিধিগণসহ দৈনিক চাঁদপুর সময়ে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকবৃন্দ আলোচনা ও পর্যালোচনায় অংশগ্রহণ করেন।
বাদ আছর স্থানীয় বায়তুল কাদের জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পাশাপাশি উপস্থিত মুসল্লিগণ অংশগ্রহণ করেন।

দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, বায়তুল কাদের জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল কাদির, মিলাদ পরিচালনা করেন হাফেজ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদী।

দিনব্যাপী কর্মসূচীর শেষ প্রহরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন দৈনিক চাঁদপুর সময়ের কর্ণধার ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, চাঁদপুরের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল চাঁদপুর টাইমসের প্রকাশক ও সম্পাদক বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব টাইমস কমিউনিকেশন এর স্বত্বাধিকারী কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল। সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা সংবাদপত্র এবং রাজনীতি এক করে ফেলি না। সংবাদপত্র তার নিজস্ব গতিতে চলবে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা দৈনিক চাঁদপুর সময়ের মাধ্যমে চাঁদপুরের সাংবাদিকতাকে একটি উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। এর জন্য সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে আমরা সফলতা পাবো।’ এর পর পত্রিকার প্রকাশক মো. এরশাদ খান শুভেচ্ছা বক্তব্য রেখে দিনব্যাপী কর্মসূচীর সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।