মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন পরবর্তী মূল্যায়ন সভা

এই দেশের উপর প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে : শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
এই দেশের উপর প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে : শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি

চাঁদপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন পরবর্তী মূল্যায়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক।

চাঁদপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন পরবর্তী মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৭অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জেলা প্রশাসক শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উদযাপন পরবর্তী মূল্যায়ন সভা ডেকেছেন এটি ব্যতিক্রম। আমরা প্রশাসনকে এতো ব্যস্থ রাখতে চাই না। প্রশাসন সবার জন্য, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। যার বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও এনআইডি কার্ড আছে তার যে অধিকার বাস্তবায়নের জন্য সরকার করবে।

তিনি আরো বলেন, এ সমাজে বসবাস করতে হলে, অনেক রকমের সমস্যা হবে তা মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে। সর্বোপরি প্রশাসন, বিরোধী দল ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এই দেশের ওপর প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে।

Model Hospital

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. খায়রুল কবীর, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কবির হোসেন সর্দার, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী, চাঁদপুর জেলা জামায়াত ইসলামের আমির আলহাজ্ব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, সেক্রেটারী অ্যাড. শাহাজাহান মিয়া, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মাহবুব আলম, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সিনিয়র সহ-সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ন চক্রবর্তী, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নেপাল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক সুমন সরকার জয়, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মানিক লাল ঘোষ, হাইমচর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিবেক লাল মজুমদার, মতলব উত্তর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাস, মতলব দক্ষিণ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কিশোর কুমার ঘোষ, হাজীগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সমীর লাল দত্ত, শাহরাস্তি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নিখিল মজুমদার, কচুয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ফনি ভূষণ মজুমদার প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন এবার দূর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় আমি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতিসহ নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন, পুলিশ, আনসার, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহ যারা দিনরাত নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পূজামণ্ডপ গুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের তৎপরতার কারণে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। এবার কিছু স্থানে ডিজে গান বাজানো হয়েছে। সামনে কোনভাবে ডিজে গান চালানো যাবে না। এ বিষয়টি আপনারা দেখবেন।

এসময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।