বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়ায় মডেল ইউনিয়ন গঠন বাস্তবায়ন করবো: অ্যাড. সেলিম মিয়া 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২:০৯ পিএম
শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়ায় মডেল ইউনিয়ন গঠন বাস্তবায়ন করবো: অ্যাড. সেলিম মিয়া 
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী: আগামী ১৬ মার্চ মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ- নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড, গ্রাম, মহল্লা ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলেছেন মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি অ্যাড সেলিম মিয়া। তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
১৯৯২ সালের পরে একমাত্র ২০০৩ সালে মোহনপুর ইউনিয়নের ভোটাররা চেয়ারম্যান পদে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়েছিলো। তাই বর্তমান প্রজন্মের ভোটাররা চেয়ারম্যান পদে তাদের ভোট প্রদান করার সুযোগ পাচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা চেয়ারম্যান পদে তরুণ প্রজন্মের প্রার্থীই বেছে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
গণসংযোগ কালে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাড.সেলিম মিয়া বলেন, আমি মানবিকতার দৃষ্টিকে প্রসারিত করে, সবার হাতে হাত রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়ায় ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন গঠন করার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই।
তিনি বলেন, নিপীড়িত,সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যানে নিজেকে নিয়োজিত রাখব, এলাকার সকল সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রাখতে পারবো ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামের ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছি। আগামী ১৬ মার্চ মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত মোহনপুর  ইউনিয়ন উপহার দেব এলাকাবাসীকে। আমি এলাকার জনগণের সুখে দুঃখের সাথী হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমি নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তিনি আরো বলেন, উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করব। দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাসসহ সব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়নের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলব।
মোহনপুর  ইউনিয়নের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট সেলিম মিয়া  জানান, জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪০ বাস্তবায়ন এবং গ্রাম হবে শহর এরই আলোকে আগামীতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নতুনদের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। নতুনরা যদি নৌকার মনোনয়ন পায় তাহলে দল গতিশীল হবে, ইউনিয়ন পর্যায়ে উন্নয়ণের ছোয়া লাগবে। নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি গ্রাম হবে, শহর এ গ্রামকে শহর করতে হলে নবীনদের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমার পরিবার
আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে।
তিনি বলেন, মোহনপুর ইউনিয়নে আমি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আমি খুবই আশাবাদী। তারই আলোকে এলাকার বিভিন্ন বাড়ীতে বাড়ীতে গণসংযোগ করে চলছি।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন চাইব-ইনশাআল্লাহ দল আমার কর্মকাণ্ড দেখে অবশ্যই আমাকে নৌকার মনোনয়নপত্র প্রদান করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
উল্লেখ্য: মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের মোট ভোটার ১৫৫৬২ জন, পুরুষ ৮০৮২ ও মহিলা ৭৫৮০ জন ভোটার।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।