বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে এইচএসসিতে পাশের হার ৯৫.৩১% ও আলিমে ৭৪.৮৪%

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২:৪৫ পিএম
মতলব উত্তরে এইচএসসিতে পাশের হার ৯৫.৩১% ও আলিমে ৭৪.৮৪%

মনিরুল ইসলাম মনির: মতলব উত্তর উপজেলায় এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় বিগত পরীক্ষার ফলাফলকে পিছনে ফেলে এবার সেরা সাফল্যে অর্জন করেছে। এইচএসসিতে পাশের হারে দেখিয়েছে চমক।

এবার পরীক্ষায় এইচএসসিতে পরীক্ষা দিয়েছে ১হাজার ২ শ’ ৮১ জন, পাশ করেছে ১ হাজার ২শ’ ২১ জন, পাশের হার ৯৫.৩১%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০১ জন। আলিম পরীক্ষা দিয়েছে ১৫৯ জন, পাশ করেছে ১১৯ জন ও পাশের হার ৭৪.৮৪% জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন ।

এবার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ছেংগারচর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে মোট ৩৫৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৫৮জন ও পাশের হার ১০০%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ জন। নাউরী কলেজ থেকে মোট ১৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৮৩ জন ও পাশের হার ৯৭.৩৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন। সুজাতপুর কলেজ থেকে মোট ৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৯ জন, পাশের হার ৯৭.৭৫% ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। শরীফ উল্যাহ হাই স্কুল এন্ড কলেজ মোট ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৩জন ও পাশের হার ৯৭.০৮%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। আলী আহম্মদ মিয়া বহুমুখী মহাবিদ্যালয় থেকে মোট ১০০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯৮জন ও পাশের হার ৯৮.০০%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। মুন্সী আজিম উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ থেকে মোট ১০০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৯ জন ও পাশের হার ৬৯.০০%। কালিপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজ থেকে মোট ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৯জন ও পাশের হার ৯১.৮৬%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে মোট ১৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৮৬ জন ও পাশের হার ৯২.৭৮%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। লুধুয়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মোট ৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭৩জন ও পাশের হার ৯৬.০৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। জীবগাঁও জেনারেল হক উচ্চ বিদ্যালয় এণ্ড কলেজ থেকে মোট ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৭ জন ও পাশের হার ১০০%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। ধনাগোদা তালতলী হাইস্কুল এন্ড কলেজের থেকে মোট ৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩৫জন ও পাশের হার ৯৭.২২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। দি কার্টার একাডেমি থেকে মোট ২১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২১জন ও পাশের হার ১০০%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন।

আলিম পরীক্ষায় ফরাজীকান্দি আল ওয়াসিয়ে কামিল মাদ্রাসা থেকে মোট ২১ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১৬ জন ও পাশের হার ৭৬%। নেদায়ে ইসলাম মহিলা মাদ্রাসা থেকে মোট ৩০ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৩ জন ও পাশের হার ৭৬%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২জন।। হাশিমপুর আলীম মাদ্রাসা থেকে মোট ১৮ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৯ জন ও পাশের হার ৫০%। বদরপুর আদমিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে মোট ৩০ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২৮ জন ও পাশের হার ৯৩%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। সাড়ে পাঁচআনী হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে মোট ৪১ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩১জন ও পাশের হার ৭৫%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। লবাইরকান্দি আলআমিন আলীম মাদ্রাসা থেকে মোট ১৯ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১২ জন ও পাশের হার ৬৩%।

Model Hospital

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।