মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকায় চাঁদপুর প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান বাবলু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ১:৫১ পিএম
‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকায় চাঁদপুর প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান বাবলু
নিজস্ব প্রতিবেদক : রংধনু গ্রুপের প্রিন্ট মিডিয়া ‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকায় চাঁদপুর জেলা প্রতিবেদক হিসেবে নিয়োগ পেলেন মনিরুজ্জামান বাবলু।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্র পাঠানো হয়। সাংবাদিক মনিরুজ্জামান বাবলু এসএ টিভি ও ইংরেজি দৈনিক ডেইলি ট্রাইবুনালের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দৈনিক চাঁদপুর জমিন পত্রিকার মধ্য দিয়ে ২০০৫ সাল থেকে সাংবাদিকতা পেশা শুরু করেন। সে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৮নং হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের লাওকোরা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মো. আনোয়ার হোসেনের বড় ছেলে। পেশাগত দক্ষতা অর্জনে পিআইবি, টিআইবিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রশিক্ষণে অংশ নেন তিনি।
এছাড়াও তিনি দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর, সাপ্তাহিক মানবসমাজ পত্রিকার যুগ্ন-সম্পাদক ও অনলাইন মাল্টিমিডিয়া নিউজ পোর্টাল পপুলার বিডিনিউজের এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
 তিনি জেলার সাহিত্য মঞ্চের সহ-সভাপতি, হাজীগঞ্জ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে জড়িত রয়েছেন।
সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে তিনি পরিচিত। ইতোমধ্যে তার লেখা একুশে বই মেলায় গল্পগ্রন্থ কালু মিয়ার পিএইচডি ও কাব্যগ্রন্থ সুপ্রভাত প্রকাশিত হয়।
তাঁর রচনা ও পরিচালনায় হাজীগঞ্জ উপজেলায় একাধিক মঞ্চনাটক জনতার আদালতে ফাঁসির রায়, কিশোরীর লড়াই, তনু স্মরণে ইভটিজিং, যুগবদল মঞ্চায়িত হয় ও শর্টফ্লিম প্রেমারা নাটকটি বেশ আলোচিত হয়।
জানতে চাইলে মনিরুজ্জামান বাবলু পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহকর্মী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ শুভানুধ্যায়ীদের পরামর্শ এবং দোয়া কামনা করেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।