বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সেলিমের পিতার স্মরণে দোয়া ও কুলখানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৩, ৪:২০ পিএম
ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সেলিমের পিতার স্মরণে দোয়া ও কুলখানি

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও গুলশান থানা যুবলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান সেলিমের পিতা আলহাজ্ব মাওলানা আবদুল হাই এর স্মরণে মিলাদ, দোয়া ও কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় ছেংগারচর পৌরসভার এমএম কান্দি ঈদগাঁহ ময়দানে দোয়া ও কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে হাজার হাজার রোজাদার মুসল্লী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করার। পরে কুলখানি অনুষ্ঠানে সকলে যোগদান করেন।

উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সানোয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহজাহান প্রধান, চাঁদপুর জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য তাছলিমা আক্তার আঁখি, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি. রেজাউল করিম, সাদুল্লাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জোবায়ের আজিম পাঠান স্বপন, ষাটনল ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম সরকার, এখলাছপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না, ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান কাইয়ুম চৌধুরী, চাঁদপুর জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য মহিবুল্লাহ খোকন প্রমুখ।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, মরহুমের ছেলে ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও গুলশান থানা যুবলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান সেলিম। মরহুমের বড় ছেলে শিল্পপতি গোলাম রাব্বানী মহসিন’সহ শত শত রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ীবৃন্দ, সুধীবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান সেলিমের পিতা গত ২ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হাসপাতালে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে, ১ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গত ৩ এপ্রিল বাদ জোহর মরহুমের নিজ গ্রাম এমএম কান্দি ঈদগাঁ ময়দানে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।