বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ফিলিস্তিনের নিরীহ মুসলমানদের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে

মতলবে ওলামায়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত ও সুন্নী জামাত যুব সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৩, ৫:৪৯ পিএম
মতলবে ওলামায়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত ও সুন্নী জামাত যুব সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল

ফিলিস্তিনের নিরীহ মুসলমানদের উপর ইসরায়েলিদের বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে মতলব উত্তর উপজেলায় ওলামায়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত ও সুন্নী জামাত যুব সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে মতলব উত্তর থানার সামনের সড়কে মিছিল-সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশ থেকে বক্তারা, ফিলিস্তিনের নিরীহ মুসলমান ও আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের উপর ইসরায়েলিদের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানান।

এসময় বক্তারা বলেন, ফিলিস্তিনে যখন নিরীহ মুসলমান নিধন চলছে তখন বিশ্ব মোড়লরা নিরব। জাতিসংঘও মুসলমান রক্ষায় কোন ভূমিকা রাখছে না। এ অবস্থায় বিশ্ব মুসলিম এক হওয়ার বিকল্প নেই।

Model Hospital

বক্তারা আরও বলেন, ফিলিস্তিনিদের উপর ইসরায়েলিদের হামলা চিরতরে বন্ধ করতে হবে। এজন্য দ্রুত ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করতে হবে। আল-আকসা থেকে ইসরায়েলের সবধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। পবিত্র মসজিদটিতে যাতে মুসলমানরা নির্বিঘ্নে ইবাদত বন্দেগি করতে পারেন সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

মতলব উত্তর উপজেলা ওলামায়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত ও সুন্নী জামায়াত যুব সংগঠন এর আয়োজনে ওলামায়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের সভাপতি আল্লামা শায়খ আশফাক আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মুফতী আহমদ উল্লাহর সঞ্চালনায় সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা অলি উল্লাহ, ওলামায়ে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নেতা মাওলানা বদিউজ্জামান বাহার, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, এইচ এম কামরুল হাসান ও ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ খান, এইচএম কামরুল হাসান প্রমুখ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।