শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

“বিএনপি’র সাথে সুর মেলালেন ফরিদগঞ্জের নৌকার এমপি” : ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: প্রকাশিত: শনিবার, ২০ মে, ২০২৩, ১০:১৪ পিএম
“বিএনপি’র সাথে সুর মেলালেন ফরিদগঞ্জের নৌকার এমপি” : ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ

চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান কর্তৃক বেসরকারি যমুনা টেলিভিশনের একটি লাইভ সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ সরকার, সরকারের উন্নয়ন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, নির্বাচন ব্যবস্থা, প্রশাসন, নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনের পরিবর্তে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ও প্রশাসনের অনুরোধে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ।

শনিবার (২০মে) বিকালে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি, ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, পৌর মেয়র ১৫ আগষ্ট জাতির জনকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদকারী ও কারা নির্যাতিত নেতা যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাহেদ সরকারের যৌথ স্বাক্ষরে এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।

তারা বলেন, গত ১৫মে যমুনা টেলিভিশনের এমপির কাছে প্রশ্ন শীর্ষক লাইভ অনুষ্ঠানে মুহম্মদ শফিকুর রহমান এমপি ৫১ মিনিটের বক্তব্যটি আমাদের নজরে এসেছে। তিনি তার বক্তব্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ব্যক্তিগতভাবে অনেকের নাম উল্লেখ করে যেভাবে বক্তব্য প্রদান করেছেন, তা দুঃখজনক। মহান জাতীয় সংসদের একজন সংসদ সদস্য এভাবে কথা বলার কারনে শুধুমাত্র আমরা নই পুরো ফরিদগঞ্জবাসী হতাশ! তিনি নিজেকে বড় দেখাতে গিয়ে দলের, সরকারের এমনকি দলের নেতাকর্মীদের সম্মানহানী করেছেন। একটি মিথ্যাকে ঢাকতে গিয়ে একের পর এক মিথ্যা ও মিথ্যে তথ্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন।

তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের সুরে সুর মিলিয়ে ২০১৮ সালের নির্বাচনকে নিয়ে বিএনপি’র রাতের ভোটের অভিযোগের স্বীকার করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন!
সংসদ নির্বাচনের পর থেকে তিনি পূর্বের ন্যায় দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে বাইরে রেখে নিজেই প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক প্রতিনিধি সৃষ্টি করে নিজের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। অথচ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখাসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সুসংগঠিত নেতৃত্ব সর্বদা তার দিকে চেয়েছিল। বর্তমানে প্রতিনিধিদের অত্যাচারে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত হামলা ও মামলার শিকার হচ্ছে।

Model Hospital

২০০৮ সালের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর দেশে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। যার সুবাতাস ফরিদগঞ্জের প্রতিটি অঞ্চলে লেগেছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ পর্যায়ের তালিকা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী মন্ত্রনালয়ের উপজেলা পর্যায়ের তালিকা দেখলেই প্রমাণ মিলবে। শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন,“ ৫০ বছরে যে সমস্ত কাজ হয়নি আমি সেগুলো করে দিয়েছি” এমন বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ধারাবাহিক ১৪ বছরের ধারাবিহক উন্নয়নকে অস্বীকার করেছেন।

তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, চাঁদপুর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে অসম্মানজনক বক্তব্য দিয়েছেন। তা আমাদেরকে তথা আমাদের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বিব্রত করেছে।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, ২০১২ সালে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হয়। সম্মেলনে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই কমিটির সহযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবমহিলা লীগ, হর্কাস লীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনের সম্মেলন হয়ে শক্তিশালী কমিটি গঠিত হয়। বিএনপি জামায়েতকে প্রতিহত করা এবং জাতীয় ও দলীয় সকল কর্মসূচি পালন করে আসছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির নেতৃত্বে ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচন, দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন এবং দু‘টি পৌরসভা নির্বাচনে আমাদের দলের মনোনীত প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়। কিন্তু ২০২২ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বর্তমান এমপি মহোদয় দলের পরিক্ষিত নেতাদের মনোনয়নের পরিবর্তে তার প্রতিনিধি ও জনবিচ্ছিন্ন লোকদের মনোনয়ন নিশ্চিত করায় দলের প্রার্থীদের ভরাডুবি হয় এবং ইউপি নির্বাচনে তার ভুমিকা ও সাংগঠনিক সহযোগিতা ছিল না। অথচ তিনি বলেছেন নির্বাচনের সময় রাত ১২টার পর আওয়ামীলীগ নেতারা প্রশাসনের লোকজনের সাথে হাত মিলিয়ে প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করে নৌকার মনোনীত প্রার্থীদের হারানো হয়েছে। ইহা সম্পূর্ণভাবে অসত্য। উনার কথা-বার্তায় এটি প্রতীয়মান হয় তিনি বিএনপি’র মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন।

অথচ যমুনা টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে তিনি মিথ্যাচার করে আমাদের দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। এছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন নিয়েও তিনি বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে দল এবং সরকারকে বিব্রত করেছেন। তিনি দলের ও সরকারের উন্নয়নের প্রচার বাদ দিয়ে দলের নেতাকর্মী ও তার দলীয় রাজনীতির প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে বেশি সময় কাটিয়েছেন। দলের একজন সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিকে পর্যন্ত তুচ্ছ তাচ্ছিল করতে তিনি দ্বিধা বোধ করেন নি। ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের অনুষ্ঠানে হামলা চালায় উনার ব্যক্তিগত প্রতিনিধি বাহিনী। সেই হামলার মাধ্যমে তারা জাতির পিতা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলের সাইনবোর্ড ভাংচুর করে এবং দলের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে আহত করেন। পরে উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই সাজানো মামলা দিয়েছেন। আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা ওই মামলায় এখনো আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন।

ওনার এসকল প্রতিনিধিরা টি আর, কাবিখা, কাবিটা,গভীর নলকূপ স্থাপন (গভীর নলকূপ ২৫/৩০ হাজার টাকা), বয়ষ্কভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিডি কার্ড, ভিজিএফ কার্ড, টিসিবি কার্ড এবং রাষ্ট্রীয় বরাদ্দ হতে শতকরা ৩০ ভাগ ব্যক্তিগত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিয়ে অর্থের বিনিময়ে বিতরণ করেন। যা তদন্তে প্রমাণ মিলবে ।

১৫মে প্রচারিত যমুনা টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মুহম্মদ শফিকুর রহমানের বক্তব্য তার অবস্থান নিশ্চিত করেছে যে তিনি কখনো আওয়ামীলীগের ছিলেন না। তিনি বিশেষ ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হয়ে নিজের এবং তার প্রতিনিধিদের আখের গোছাতে ব্যস্ত রয়েছেন।

মাদকের ব্যাপারে সাংবাদিক মুহম্মদ শফিকুর রহমান এমপি জিরো টলারেন্স দেখাবেন এমন স্বপ্ন দেখিয়ে , নির্বাচিত হওয়ার পর মাদকাসক্ত, মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রতিনিধি বানিয়ে উনার রাজনীতি পরিচালনা করেছেন। এখন মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের জনপ্রিয় বলে তিনি তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললেও জনগণের কাছে তা হাস্যকর বলে প্রতিয়মান। উল্লেখ্য, প্রতিনিধি প্রথা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কোথায় প্রচলিত না থাকলেও উনি প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই উনার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাই আজকের প্রেস বিজ্ঞপ্তি’র মাধ্যমে তার এই বক্তব্যকে প্রত্যাখান করছি।

শাহমাহমুদপুরে বিএনপির সভাপতি থেকে স্বপন মাহমুদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
শাহমাহমুদপুরে বিএনপির সভাপতি থেকে স্বপন মাহমুদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগকে ঘিরে ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক মতবিনিময় সভা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের মান্দারী তাজ সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল মিজির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় জানানো হয়, চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান বা মেম্বার পদে প্রার্থী হতে ইচ্ছুক এমন বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদককে দলীয় পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিতে হবে। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম, দলীয় ঐক্য ও আগামী দিনের করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়। এ সময় ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি তারা বলেন, বিগত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বপন মাহমুদ টানা দুইবার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তার রাজনৈতিক দল বিএনপি সরকার ক্ষমতায়, তাই এবারও তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দলীয় সমর্থন দিতে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। দলীয় সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করলে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে এবারও বিজয় নিশ্চিত করার আশা ব্যক্ত করেন নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘদিনের সহকর্মী শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি স্বপন মাহমুদের পদত্যাগের বিষয়টি সহজে মানিয়ে না নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি নাহিদ খান, সাবেক সহ সভাপতি কবির হোসেন রনি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল দেওয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাটওয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক কবিরাজ, সমাজসেবক জহিরুল হক লালু মাষ্টার প্রমূখ।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মতামত ব্যক্ত করেন ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল হাওলাদার, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাহবুব বেপারী, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম পাটওয়ারী, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর খান, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মহসিন তপদার, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাজী, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আঃ সাত্তার বেপারী, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজ খান, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফ তালুকদার, সাবেক সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল সোহেল, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আশেক এলাহী, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আলমগীর পাটওয়ারী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পরে দলীয় নেতাকর্মীদের মতামত ও উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের সভাপতির পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন মামলা হামলার শিকার ও কারানির্যাতিত জননন্দিত নেতা স্বপন মাহমুদ। এবং এদিন রাতেই চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির কাছে তার পদত্যাগ পত্র জমা দেন। সভাপতির বক্তব্যে তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের উল্লেখযোগ্য কিছু রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কথা সকলের কাছে স্মৃতিচারণ করেন। অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, কৃষকদল, শ্রমিকদল, তাঁতীদল, ওলামাদলের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল পাটওয়ারী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শাহীন হাওলাদার, সদস্য আবুল বাশার, বিএনপি নেতা মোজাম্মেল খান, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব গাজী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মাহমুদ সেলিম, যুবদল নেতা শওকত কারী, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক গাজী নূর আলম, যুগ্ম আহবায়ক জুলহাস পাটওয়ারী, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মিজি, ছাত্রদল নেতা সজিব পাটওয়ারী, ইউনিয়ন মহিলা দলের সভানেত্রী পারুল আক্তার, সাধারণ সম্পাদক রুমা বেগম, ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সার্ভেয়ার আব্দুল হামিদ সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।