শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড নূরজাহান বেগম মুক্তার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় 

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০২৩, ১১:২৯ পিএম
সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড নূরজাহান বেগম মুক্তার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় 
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি, টকশো ব্যক্তিত্ব এডভোকেট নূরজাহান বেগম মুক্তা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলছেন। গ্রামে বসবাস করে শহরের সুবিধা ভোগ করছে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের ৫ বছরে সর্বক্ষেত্রে যত উন্নয়ন হয়েছে, স্বাধীনতার পর কোন সরকারের আমলেই এতো উন্নয়ন হয়নি। এই সরকারে আমলে যোগাযোগ ও প্রযুক্তি খাতে যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটেছে। গ্রামের মানুষ ঘরে বসে প্রযুক্তির সুবিধা পাচ্ছে। বিদ্যুৎ খাতে অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটেছে। বিগত বিএনপি সরকারের মতো দেশে এখন আর লোডশেডিং হয় না। আমাদের একটিই লক্ষ্য দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া।
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯ ও ১০ নং গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়ন, ২ নং বাকিলা ইউনিয়ন ,দ্বাদশ ইউনিয়ন, শাহরাস্তি উয়ারুক এবং দোয়াভাঙ্গায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং রাজনৈতিক দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও গনসংযোগ কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) বিকেল থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
শুভেচ্ছাকালে অ্যাড নূরজাহান বেগম মুক্তা বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ সরকার। এই সরকারের আমলে দেশের যত উন্নয়ন হয়েছে- তা ইতিহাসযোগ্য। এর আগে কোন সরকার এত উন্নয়ন করতে পারেনি। এখন প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, গ্রামেগঞ্জে রাস্তাঘাট, সেতু কালভার্টে ভরপুর যা একসময় মানুষ কল্পনাই করতে পারেনি। সরকার যেখানে যা প্রয়োজন সব করছে। সকল প্রকার উন্নয়ন দিয়ে গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যা উন্নয়ন হয়েছে ৪০ বছরে ইতিহাসে তা কেউ করে দেখাতে পারেনি, এ ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই পঞ্চমবারের মতো ক্ষমতায় আনতে হবে। উন্নয়নের করতে চাইলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকতে হবে, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও উদ্দেশ্য হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমি চাই জনগণের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করতে। আমার এলাকাকে একটি আধুনিক সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে।
ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য: এডভোকেট নূরজাহান বেগম মুক্তা চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবু জাফর মো. মঈনউদ্দিনের সুযোগ্য কন্যা।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি আয়োজনের সিদ্ধান্ত

চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও সফল করতে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ এবং আয়োজন বাস্তবায়নে একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ও পরামর্শ দেন।আলোচনা শেষে বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।

শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের সব প্রয়াত ও  শিক্ষকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।যে কয়জন জীবিত শিক্ষক রয়েছে তাদের সম্মাননা দেওয়া বিষয়ে অভিমত তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বক্তব্য দেন। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও প্রিয় পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। আমরা তাঁর অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি চাই।

সভায় শতবর্ষ উদযাপন সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সভায় সাবেক শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।