বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সারা বাংল ৮৮ ফাউন্ডেশনের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই, ২০২৩, ১১:৩৩ পিএম
সারা বাংল ৮৮ ফাউন্ডেশনের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী উদযাপন
আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাঁটা আলোচনা সভা ও নৈশ ভোজের মধ্য দিয়ে সারা বাংলা ৮৮ ফাউন্ডেশনের তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী উদযাপন করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে শহরের অভিজাত চাইনিজ রেস্তোরা রসুই ঘরের হল রুমে এই প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কীটি উদযাপিত হয়।
রবিবার রাত নটায় আব্দুর রহমান খোকার পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করার ও উত্তম চন্দ্র মজুমদারের পবিত্র গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কীর শুভারাম্ভ করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সারা বাংলা ৮৮ চাঁদপুর জেলা প্যানেলের জয়েন কো- অর্ডিনেটর জায়েদুর রহমান জহির। জহির সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের মুল লক্ষ ও আদর্শের উপর আলোকপাত করেন।
জায়েদুর রহমান জহিরের সভাপতিত্বে ও সারা বাংলা ৮৮ চাঁদপুর জেলা প্যানেলের জয়েন কো-অর্ডিনেটর ও চ্যারিটি প্রধান এবং হিলশা নিউজের সহ সম্পাদক মনির হোসেন খানের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জয়েন কো-অর্ডিনেটর লেডি প্রতিমা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক বদরুল হক শামিম, জয়েন কো- অর্ডিনেটর মিজানুর রহমান খান লিটন, ফনির শাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস মিয়া, সফিকুল ইসলাম, রেইনবো হাসপাতালের পরিচালক এনামুল কাদের অপু।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্হিত ছিলেন সারা বাংলা ৮৮ জয়েন কো- অর্ডিনেটর ইকবাল খান, সৈয়দ আহমেদ, গফুর বেপারি।
সদস্যদের মাঝে উপস্হিত ছিলেন উত্তম চন্দ্র মজুমদার, শ্যাম ক্ষত্রিয়, শম্ভুনাথ সাহা, আলহাজ্ব মনির হোসাইন, হাবিব দেওয়ান সহ আরো অনেকে।
উক্ত প্রতিষ্ঠা বার্ষির্কী উপলক্ষে সারা বাংলা ৮৮ চাঁদপুর জেলা প্যানেলের উদ্যোগে ৫০ জন দুস্থ্য ও অসহায়দের মাঝে প্যাকেট বিরিয়ানি বিতরন করা হয়। এবং কেন্দ্রীয় চ্যারিটির পক্ষ হতে দেয়া একটি সেলাই মেশিন পিছিয়ে পড়া বন্ধুকে প্রদান করা হয়।
সভা শেষে নৈশ ভোজের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাপ্তি করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।