মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মরহুম সিরাজুল হক মুন্সী (রহঃ) এর ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে

মতলব উত্তরে খতমে বুখারী ও ইছালে সাওয়াব মাহফিল

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩, ৯:১৯ পিএম
মতলব উত্তরে খতমে বুখারী ও ইছালে সাওয়াব মাহফিল

মতলব উত্তরে মরহুম সিরাজুল হক মুন্সী (রহঃ) এর ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কবরবাসীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় খতমে বুখরী এবং ইছালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ২২ জুলাই শনিবার দুপুরে উপজেলার গজরা মুন্সী বাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজিত খতমে বুখরী ও ইছালে সাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন এবং মুনাজাত পরিচালনা করেন নেদায়ে ইসলাম আমীরে ও পীর কেবলাজান উয়েসীয়া শরীফ কমপ্লেক্স ফরাজীকান্দির চেয়ারম্যান আল্লামা শায়খ সায়্যিদ মাসউদ আহমাদ বোরহানী আল-আহমাদী উয়েসী রিফায়ী (মা. জি. আ.)।

প্রধান আলোচক হিসেবে ওয়াজ করেন দক্ষিণ দাসদী বোরহানুল উলুম ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
মাহফিল আয়োজন করেন এবং সভাপতিত্ব করেন তাহফিজুল উম্মাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসার উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সৈয়দ আহমেদ (বুলবুল) মাষ্টার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন, এনটিভির ইসলামী বিভাগের পরিচালক জয়নুল আবেদীন আজাদ, সুলতানাত অব ওমানের এন সি ও অবসর প্রাপ্ত মো. কুতুব উদ্দিন বাদল।

Model Hospital

সঞ্চালনায় ছিলেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ মুফতি মো. মোরশেদ আলম সিরাজী। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, মো. ওছমান গণি মুন্সী, আলহাজ্ব মো. শফিকুল ইসলাম, মো. জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী প্রমুখ।

এতিহ্যবাহী এই খতমে বুখরী এবং ইছালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামগণ, শিক্ষক সমাজ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকার সর্বস্তরের মুসল্লীগণ উপস্থিত ছিলেন। মাহফিল শেষে দুপুরের ভোজে অংশগ্রহণ করেন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।