বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩, ১০:২৬ পিএম
শাহরাস্তিতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা
শাহরাস্তিতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে  উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা কমপ্লেক্স  চত্বরে ও পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের আয়োজনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, “নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ,”গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ, এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ  উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা সম্পন্ন হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ন রশীদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে টেলি কনফারেন্স বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহান মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টরের সেক্টর  কমান্ডার মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি উপজেলা  পরিষদের চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান চৌধুরী শেপালী, পৌর মেয়র হাজী আবদুল লতিফ, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি  রেজওয়ানা চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ইরান, কামরুন নাহার কাজল।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ তৌসিব উদ্দীন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ, রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ডা: আবদুর রাজ্জাক, মেহার দক্ষিণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল আমিন প্রমুখ।
সভায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে ৩ টি ক্যাটাগরীতে ৩ জন মৎস্য চাষিকে পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলেন মাছের রেনু পোণা উৎপাদনে সুভাষ চন্দ্র বর্মন, মনোসেক্স তেলাপিয়া ও কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে মো: হুমায়ুন কবির, আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে মোঃ জামাল হোসেন।
এছাড়াও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলার সাহাপুর কাছারী বাড়ী সরকারি জলাশয়ে মাছের রেনু অবমুক্ত করেন অতিথিবৃন্দ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।