মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে জিপিএ-৫ এসএসসিতে ২১৩, ভোকেশনাল ৩০ ও দাখিলে ৭

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩, ১০:৪৬ এম
মতলব উত্তরে জিপিএ-৫ এসএসসিতে ২১৩, ভোকেশনাল ৩০ ও দাখিলে ৭
সারাদেশের মতো মতলব উত্তর উপজেলায়ও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের ভোকেশনাল পরীক্ষার এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষা-২০২৩ এর ফলাফল প্রকাশ হয়েছে।
এসএসসি : মোট পরীক্ষার্থী ৪ হাজার ১৮৭জন, কৃতকার্য হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ ফলাফলে পাসের হার এসএসসিতে ৮১.৪১ ভাগ পরীক্ষার্থী, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১৩ জন।
বাংলাদেশ কারীগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২৩৮ জন, কৃতকার্য হয়েছে ২০৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০জন, পাশের হার ৮৬.১৩ ভাগ।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের অর্ধীনে দাখিল পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ৪৮২ জন, কৃতকার্য হয়েছে ৪০৩ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন, পাশের হার ৮৩.৬০ ভাগ।
নিচে স্কুল ও মাদ্রাসাভিত্তিক ফলাফল দেওয়া হলো :
নাউরী আহম্মদীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬৩, পাস করেছে ২৫০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ জন, পাসের হার ৯৫.০৬ ভাগ।
চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮১, পাস করেছে ১৬৪জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন, পাসের হার ৯০.৬১ ভাগ।
হাজী মইন উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯২, পাস করেছে ৮৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন, পাসের হার ৯৫.৬০ ভাগ।
গাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৪, পাস করেছে ৫৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন, পাসের হার ৯১.১৯ভাগ।
মোজাদ্দেদীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮০, পাস করেছে ৬১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৭৩.২৫ ভাগ।
নাওভাঙ্গা জয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৬, পাস করেছে ৭১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন, পাসের হার ৯৪.৬৪ভাগ।
দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩১, পাস করেছে ১২৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন, পাসের হার ৯০.৬৬ ভাগ।
মাথাভাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৯, পাস করেছে ৮৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন, পাসের হার ৯৪.৩৮ ভাগ।
নীলনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬২, পাস করেছে ৪৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাসের হার ৭৯.০৩ ভাগ।
এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪৭, পাস করেছে ১২৩ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন, পাসের হার ৮৩.৬৭ ভাগ।
পাঁচানী উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৮, পাস করেছে ৯০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন, পাসের হার ৯১.৮৮ ভাগ।
ছেংগারচর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮৩, পাস করেছে ২৪৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন, পাসের হার ৮৭.২৮ ভাগ।
লুধুয়া হাইস্কুল এন্ড কলেজে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৯, পাস করেছে ১০১ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাসের হার ৯২.৬৬ ভাগ।
ওটারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২১, পাস করেছে ১১০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন, পাসের হার ৯০.৯১ ভাগ।
জীবগাঁও জেনারেল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৪, পাস করেছে ৮৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন, পাসের হার ৮৯.৩৬ ভাগ।
শরীফ উল্লাহ হাই স্কুল এন্ড কলেজে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০১, পাস করেছে ৯৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৯৮.০২ ভাগ।
ইমামপুর পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৮, পাস করেছে ৯৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন, পাসের হার ৯০.৭৪ ভাগ।
রুহিতারপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৬, পাস করেছে ১৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৫০.০০ ভাগ।
সিদ্দিকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪২, পাস করেছে ৩৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাসের হার ৯২.৮৬ ভাগ।
বাগানবাড়ি আইডিয়েল একাডেমি মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪৪, পাস করেছে ১২৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন, পাসের হার ৮৭.৫০ ভাগ।
কালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭৩, পাস করেছে ১৩৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন, পাসের হার ৭৮.০৩ ভাগ।
ধনাগোদা তালতলী উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৯, পাস করেছে ৬৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৬৯.৭০ ভাগ।
হাজী সিদ্দিকুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭২, পাস করেছে ৪৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, পাসের হার ৬২.৫০ ভাগ।
পাঠান বাজার আবেদীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৪, পাস করেছে ৭৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাসের হার ৭১.১৫ ভাগ।
বদরপুর আকবর আলী খান উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৭, পাস করেছে ৪৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৬৩.৬৪ ভাগ।
নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬২, পাস করেছে ১২০ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাসের হার ৭৪.১৭ ভাগ।
দূর্গাপুর জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩৪, পাস করেছে ১০৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন, পাসের হার ৮০.৬০ ভাগ।
শিকারীকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬২, পাস করেছে ৪২ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৬৭.৭৪ ভাগ।
অলিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৭, পাস করেছে ৫৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, পাসের হার ৮৩.৫৮ ভাগ।
ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০০, পাস করেছে ৬৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, পাসের হার ৬৮.০০ ভাগ।
সুজাতপুর নেছারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০, পাস করেছে ৩৯জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন, পাসের হার ৭৮.৮৬ ভাগ।
মমরুজকান্দি সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫৭, পাস করেছে ১০৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন, পাসের হার ৬৭.৫৬ ভাগ।
দি কার্টার একাডেমী মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫, পাস করেছে ১৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, পাসের হার ১০০ ভাগ।
জমিলাখাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০২, পাস করেছে ৯৩ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন, পাসের হার ৯১.১৮ ভাগ।
নন্দলালপুর ছামাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১৬, পাস করেছে ৯৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন, পাসের হার ৮২.৬২ ভাগ।
ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০, পাস করেছে ২৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৯০.০০ ভাগ।
চরপাথালিয়া নুরুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬০, পাস করেছে ৪৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৮১.৬৭ ভাগ।
ফতেপুর আবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৯, পাস করেছে ৮৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন, পাসের হার ৭৮.৯০ ভাগ।
আলী আহম্মদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৭, পাস করেছে ৪৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৬১.০৪ ভাগ।

ভোকেশনাল পরীক্ষা :
জমিলাখাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৩, পাস করেছে ৭৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন, পাসের হার ৯০.৩৬ ভাগ।
সুজাতপুর নেছারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৫, পাস করেছে ৫৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ জন, পাসের হার ৯৮.৫০ ভাগ।
ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫২, পাস করেছে ৩৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন,  পাসের হার ৭৫.০০ ভাগ।
চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৮, পাস করেছে ৩৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন,  পাসের হার ৭৭.০৮ ভাগ।

দাখিল পরীক্ষা :
বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় ফরাজীকান্দি ওয়েসিয়া কামিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০, পাস করেছে ৪৭জন, পাসের হার ৯৪.০০ভাগ। সাড়ে পাঁচানী হোসাইনীয়া ফাজিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০, পাস করেছে ৬৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, পাসের হার ৯২.৮৬ ভাগ।
হাশিমপুর আলিম মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৭, পাস করেছে ২৩ জন, পাসের হার ৮৫.১৯ ভাগ।
নেদায়ে ইসলাম মহিলা ফাজিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৫, পাস করেছে ৪৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, পাসের হার ৮৫.৪৫ ভাগ।
বদরপুর আদমিয়া ফাজিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৮, পাস করেছে ২৯ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ০ জন, পাসের হার ৭৬.৩২ভাগ।
লবাইরকান্দি আলিম মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১, পাস করেছে ২৯জন, পাসের হার ৭৪.১৯ ভাগ।
রাঢ়ীকান্দি দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদরাসামোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০, পাস করেছে ২০ জন, পাসের হার ৬৬.৬৬ ভাগ।
আমিয়াপুর মহিলা দাখিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৮, পাস করেছে ৩৫ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাসের হার ৯২.১০ ভাগ।
রসূলপুর হাজী চাঁনবক্স সরকার দাখিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২, পাস করেছে ২৪ জন, পাসের হার ৭৫.০০ভাগ।
আউলিয়াবাগ দাখিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৪, পাস করেছে ২৩ জন, পাসের হার ৬৭.৬৪ ভাগ।
দশানী বোরহানুল উলূম দাখিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫১, পাস করেছে ৪৪ জন, পাসের হার ৮৬.২৭ ভাগ।
লুধুয়া আহমদিয়া (স.) দাখিল মাদরাসা মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬, পাস করেছে ১৬ জন, পাসের হার ৬১.৫৩ ভাগ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।